.webp)
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 11 April 2024 10:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চিনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব যখন দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, তখন এই প্রথম আফ্রিকা ও এশীয় দেশগুলিতে সেনা বহর পাঠিয়ে রাখছে ভারত। ইথিওপিয়া, আইভরি কোস্ট, মোজাম্বিক এবং কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ আফ্রিকার দেশ জিবুটি-তে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও বহর পাঠাচ্ছে নয়াদিল্লি। চিনের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামরিক টক্কর নিতেই ভারতের এই পরিকল্পনা বলে মনে করা হচ্ছে।
ভারতীয় সেনা, নৌ এবং বাহিনীর মোট ১৬টি বহর শীঘ্রই মোতায়েন করে দেওয়া হবে। এই পদক্ষেপের মূল কারণ হল, চিন এইসব এলাকায় ক্রমাগত নিজের প্রভাব বৃদ্ধি করে চলেছে। ভারতের সেনা ঘাঁটি তৈরির বিষয়ে আফ্রিকার দেশগুলিও উৎসাহ প্রকাশ করেছে। উল্লেখ্য, আফ্রিকার এই দেশগুলির সঙ্গে এই প্রথম সামরিক সমঝোতা গড়ে তুলতে চলেছে ভারত। যার মূল লক্ষ্যই হল এ তাবৎ অঞ্চলে চিনের একচ্ছত্র অধিকার খর্ব করা।
এর মধ্যে সব থেকে উল্লেখযোগ্য দেশ হল জিবুটি। লোহিত সাগর, আডেন উপসাগর এবং পূর্ব আফ্রিকা প্রণালীর সংযোগস্থলে অবস্থান ছোট্ট এই দেশটির। বিশেষত অত্যন্ত দরিদ্র এই দেশটি চিনের কাছে বিপুল পরিমাণে ঋণগ্রস্ত। গড় জাতীয় উৎপাদনের প্রায় ৪৫ শতাংশ ঋণের বোঝা রয়েছে চিনের কাছে। এর একপ্রান্তে কিছুকাল আগে পর্যন্তও চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি শিবির গড়ে ছিল।
সূত্রে জানা গিয়েছে, অনেক আফ্রিকার দেশ তাদের মাটিতে ভারতকে সেনা, যুদ্ধ সরঞ্জাম এবং প্রযুক্তি শিবির করার বিষয়ে উৎসাহ প্রকাশ করেছে। আফ্রিকা ছাড়াও ভারত ফিলিপিন্স, আর্মেনিয়া এবং পোলান্ডেও সামরিক সংযোগ গড়ে তুলবে। মস্কো এবং লন্ডনস্থিত দূতাবাসে যে সেনা আধিকারিকরা কাজ করেন সে ব্যাপারেও নতুন উদারপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি নিতে চলেছে ভারত। এইসব দেশেও নয়াদিল্লির সামরিক দূতরা কাজ করেন।
বেশ কয়েক বছর ধরে আফ্রিকা মহাদেশের সঙ্গে সংযোগ বৃদ্ধির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে নয়াদিল্লি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল জি ২০ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির সঙ্গে ৫৫টি দেশের সম্মিলিত আফ্রিকান ইউনিয়নকে স্থায়ী সদস্যপদ দেওয়ায় ভারত অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিল।