Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

গাজার সবচেয়ে বড় হাসপাতাল ঘিরে ইজরায়েলি যুদ্ধট্যাঙ্ক, পণবন্দি রোগী-ডাক্তার, চলছে গুলি

হাসপাতাল ঘিরে ফেলেছে ইজরায়েলি সেনার যুদ্ধট্যাঙ্ক। পণবন্দি করা হয়েছে হাজার হাজার রোগী ও চিকিৎসককে।

গাজার সবচেয়ে বড় হাসপাতাল ঘিরে ইজরায়েলি যুদ্ধট্যাঙ্ক, পণবন্দি রোগী-ডাক্তার, চলছে গুলি

শেষ আপডেট: 13 November 2023 09:51

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গাজার শরণার্থী শিবিরগুলি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইজরায়েল। বিমানহানায় সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবিরও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এবার নিশানা গাজার হাসপাতাল। জখমরাও নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে চিকিৎসা পাচ্ছে না। গাজার সবচেয়ে বড় দুই হাসপাতালে পরিষেবা ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে। আল শিফা হাসপাতালও আর সুরক্ষিত নেই। এই হাসপাতালে চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। তারা জানাচ্ছে, হাসপাতাল ঘিরে ফেলেছে ইজরায়েলি সেনার যুদ্ধট্যাঙ্ক। পণবন্দি করা হয়েছে হাজার হাজার রোগী ও চিকিৎসককে।

রবিবার থেকেই আল শিফা হাসপাতাল চত্বরে ভয়ঙ্কর যুদ্ধ শুরু হয়েছে। হাসপাতালের আশপাশে বোমা ফেলছে ইজরায়েলি বায়ুসেনা। হাসপাতাল ঘিরে ফেলেছে ইজরায়েলের যুদ্ধট্যাঙ্ক। হু প্রধান টেড্রস অ্যাডহানম ঘেব্রেইসাস জানিয়েছেন, হাসপাতালটির চৌহদ্দি পেরিয়ে কেউ পালানোর চেষ্টা করলেই তাকে লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলি চালানো হচ্ছে।

টেড্রস তাঁর এক্স-হ্যান্ডেলে (টুইটার) পোস্ট করেছেন, গাজার সবচেয়ে বড় হাসপাতালের পরিস্থিতি ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক। হাসপাতালে বার বার হামলা চালানো হচ্ছে। যাঁরাই হাসপাতাল থেকে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন, তাঁদের গুলি করা হয়েছে। বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যু হচ্ছে জখমদের। তাদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু।

হু জানাচ্ছে, আল শিফা হাসপাতালে বহু মানুষের চিকিৎসা চলছিল। তাছাড়া বাস্তহারারাও হাসপাতালকে নিরাপদ ভেবে আশ্রয় নিয়েছিল। কিন্তু হাসপাতালকেই এখন নিশানা করছে ইজরায়েলি বাহিনী।

আল-শিফা হাসপাতালের প্রধান শল্যচিকিৎসক মারওয়ান আবুসাদা বলেছেন, হাসপাতালের চারপাশে গোলাগুলি ও বোমা বর্ষিত হচ্ছে। কেউ বের হতে বা ঢুকতে পারছে না। যারা বের হওয়ার চেষ্টা করেছে, তারা গুলিবিদ্ধ হয়েছে। কেউ মারা গেছে, কেউ আহত হয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে গাজার প্রায় ১৮টি হাসপাতালের দরজা বন্ধ হয়েছে। উত্তর গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালের প্রধান আহমেদ আল-খালৌত এক সাক্ষাৎকারে বলেন, জ্বালানি সংকটে হাসপাতালের প্রধান জেনারেটর চালানো যাচ্ছে না। হাসপাতালগুলিতে বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ, জল নেই। তাই চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তিনি জানিয়ছেন, আল শিফা হাসপাতালে গত শনিবার থেকে বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ভেন্টিলেটরগুলো চালানো যাচ্ছে। ফলে বহু রোগী মারা যাচ্ছে। গতকালই ইনকিউবেটরে রাখা দুই শিশু-সহ ১২ জন রোগী ও তিন জন নার্সের মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে।


```