দ্য ওয়াল ব্যুরো: আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে অজ্ঞাতপরিচয় হামলাবাজদের গুলির লড়াই চলছে কাবুল বিমানবন্দরের উত্তরের গেটে। সংঘর্ষে মার্কিন, জার্মান সেনাও সামিল বলে খবর জার্মান বুন্দেশওয়ার বা সেনাবাহিনী সূত্রে। একজন আফগান নিরাপত্তা জওয়ান নিহত, তিনজন জখম হয়েছেন বলে তারা জানিয়েছে। জার্মান সেনারা অক্ষত বলে খবর। প্রতিদিনের মতো তালিবানের হাত থেকে পালিয়ে বাঁচাতে বিমান ধরার জন্য কাবুল বিমানবন্দরে আজও জড়ো হয় কয়েক হাজার আফগান নাগরিক ও বিদেশি। আচমকা গুলির লড়াই হয়। একদিকে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীরা, অন্যদিকে পশ্চিমী সেনা বাহিনী ও আফগান রক্ষীরা। তবে বিমানবন্দর পাহারায় যে তালিবান যোদ্ধাদের নিয়োগ করা হয়েছে, মৃত আফগান তাদেরই কেউ কিনা, তা নির্দিষ্ট করেনি জার্মান সেনাবাহিনী।
গত ১৫ আগস্ট রবিবার তালিবানের কাবুল দখলের পর থেকেই বিমানবন্দরে চরম অরাজকতা, বিশৃঙ্খলা চলছে। একদিকে মার্কিন ও আন্তর্জাতিক বাহিনী তাদের দেশের নাগরিক ও বিপন্ন আফগানদের বের করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, অন্যদিকে হামলা চলছে তালিবানের। বিমানবন্দরে ঢোকার চেষ্টায় আফগানরা গেটে জড়ো হলে প্রবল ভিড়ে হুড়োহু়ড়ির মধ্যে ধাক্কাধাক্কিতে সাত আফগান নিহত হওয়ার পরদিন গতকালই তালিবান যোদ্ধারা জনতাকে মেরে হটিয়ে দেয়। তালিবানের জনৈক মুখপাত্র বলেছে, বিদেশি সেনারা আফগানিস্তানের মাটি ছাড়ার ৩১ আগস্টের সময়সীমা আর বাড়াতে চায়নি। যদিও তার আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ‘যন্ত্রনাদায়ক, কঠিন’ উদ্ধার প্রক্রিয়ার তদারকির জন্য মার্কিন সেনাবাহিনী আরও কিছুদিন আফগানিস্তানে থেকে যেতে পারে বলে জানিয়েছিলেন।
বাইডেন গত সপ্তাহে আফগানিস্তানে সেনা থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলেও গত রবিবার আফগানিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে, বিপজন্নকই রয়েছে বলে জানান। বলেন, আমি পরিষ্কার বলছি, হাজার হাজার মানুষকে কাবুল থেকে উদ্ধার করে আনার প্রক্রিয়াটি কষ্টকর, যন্ত্রণাদায়ক হতে চলেছে। আমাদের অনেক দূর যেতে হবে।