
শেষ আপডেট: 12 November 2023 08:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দার আল শিফা। বাংলায় যার অর্থ আরোগ্য কেন্দ্র। এই আল শিফা হল গাজার বৃহত্তম হাসপাতাল। ইজরায়েলের লাগাতার হামলার মুখে এই হাসপাতালই কার্যত হয়ে উঠেছিল প্যালেস্টাইনের যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের আশ্রয়স্থল। সেই হাসপাতালের দিকে তাক করেই নাকি স্নাইপার বসিয়ে রেখেছে ইজরায়েল। তারা মুহুর্মুহু গুলি ছুড়ছে। আর তাতেই আল শিফা হাসপাতাল কার্যত বধ্যভূমিতে পরিণত হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে জ্বালানি, ওষুধ, জল সরবরাহ। ফলে সাধারণ রোগী তো বটেই, মৃত্যু মিছিল শুরু হয়েছে ইনকিউবেটরে থাকা শিশুদেরও।
প্যালেস্টাইনের দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবে হাসপাতালে হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েলি বাহিনী। হাসপাতালের বাইরেই তারা বসিয়ে রেখেছে প্রশিক্ষিত স্নাইপারদের। কাউকে নড়াচড়া করতে দেখলেই গুলি চালাচ্ছে তারা। হাসপাতালে বিদ্যুৎ নেই, ওষুধ নেই। ইতিমধ্যে ইনকিউবেটরে থাকা দুটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মড়ক লাগার ভয়ে হাসপাতাল চত্বরেই সমাধিস্থ করা হয়েছে তাদের দেহ। মৃত্যুর প্রতীক্ষায় সময় গুনছে ইনকিউবেটরে থাকা আরও ৩৭টি শিশু।
যদিও প্যালেস্টাইনের এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে ইজরায়েল। তাদের দাবি, ওই হাসপাতালের কাছেই রয়েছে হামাসের ঘাঁটি। সেখানেই যুদ্ধ চলছে। আল শিফাতে কোনওরকম হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইজরায়েলের মিলিটারি মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগারি।
সূত্রের খবর, হাসপাতালটি কার্যত অচল হওয়ার মুখে। পাশেই চলছে বোমাবর্ষণ, রকেট হামলা। সেখানে ভর্তিএবং আশ্রয় নেওয়া মানুষজন মৃত্যুর অপেক্ষতেই যেন বসে রয়েছেন। ইতিমধ্যেই ভেঙে পড়েছে হাসপাতালে একটি অংশ। তাকে মৃত্যু হয়েছে বেশ কয়েকজনের। অবস্থা এমনই যে হাসপাতাল চত্বরেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকা সেই দেহগুলি উদ্ধার করার মতো অবস্থাও নেই।