ইরানের রাজধানী তেহরানের (Tehran) একটি বহুতল আবাসনে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় (Missile Attack) নিহত হয়েছেন ৬০ জন। যাঁদের মধ্যে ২৯ জনই শিশু।
.jpeg.webp)
রেগে গেলেন ট্রাম্প
শেষ আপডেট: 15 June 2025 14:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরব দুনিয়ায় যুদ্ধের মেঘ। একদিকে আগুন, অন্যদিকে অঙ্গার। তেহরান থেকে গালিলি— সর্বত্রই বোমা আর ধ্বংসের ছবি। একে অপরকে নিশানা করে ইরান (Iran) ও ইসরায়েলের (Israel) পালটা হামলায় মৃত্যু হচ্ছে শিশুদের, ভেঙে পড়ছে বাড়ি, কাঁদছে নিরীহ মানুষ।
এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে রোববার কড়া বার্তা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। ইরানকে শাসিয়ে তিনি বলেন, "আমাদের বিরুদ্ধে ইরান যদি একটিও হামলার চেষ্টা করে, তবে আমেরিকার সশস্ত্র বাহিনী এমন শক্তি নিয়ে ঝাঁপাবে, যা ইতিহাসে আগে দেখা যায়নি।"
ইরানের রাজধানী তেহরানের (Tehran) একটি বহুতল আবাসনে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় (Missile Attack) নিহত হয়েছেন ৬০ জন। যাঁদের মধ্যে ২৯ জনই শিশু। শনিবার গভীর রাতে আকাশ থেকে নেমে আসা এই ‘মৃত্যুদূত’ বদলে দিয়েছে গোটা শহরের চেহারা। ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়েছে হাসি, ঘুম, স্বপ্ন।
ইরানও চুপ করে থাকেনি। রাতভর চলেছে পালটা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। ইসরায়েলের ব্যাট ইয়াম শহরে ইরানি মিসাইল আঘাত হানলে প্রাণ হারান ৪ জন। পুরো দেশে মিলিয়ে মৃত ৭ জন, তাঁদের মধ্যে ১০ বছরের এক শিশু এবং ২০-এর এক তরুণীও রয়েছেন। আহতের সংখ্যা ১৪০-এর বেশি। গালিলি অঞ্চলের একটি অ্যাপার্টমেন্টেও ইরানি হামলায় মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের।
এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মাঝে ট্রাম্প নিজেকে একজন সমাধানদাতার ভূমিকায় রেখেছেন। নিজের ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, “আমি খুব সহজেই ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে একটা চুক্তি করিয়ে দিতে পারি। এই যুদ্ধ বন্ধ করতেই হবে।” তবে তাঁর সাফ কথা, ইসরায়েলের হামলায় আমেরিকার কোনও হাত নেই।
দুই দেশের হামলা, পাল্টা হামলার আবহেই তেহরান রবিবার বাতিল করে দেয় আমেরিকার সঙ্গে ষষ্ঠ দফার পরমাণু আলোচনার সূচি। ফলে রাজনৈতিক স্তরেও ছড়িয়ে পড়ছে এই সঙ্ঘাতের আঁচ।