
শেষ আপডেট: 29 October 2023 07:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গাজায় ঢুকে পরপর শহরে হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েলি সেনা। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু আগেই যদিও এরকম হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতে এবার হামাস জানাল, যদি ইজরায়েলের জেল থেকে সমস্ত প্যালেস্তাইনিদের মুক্তি দেওয়া হয়, তাহলে তাঁরাও তাঁদের হেফাজতে বন্দি থাকা ইজরায়েলি ও বিদেশি নাগরিকদের মুক্তি দেবে। শনিবার হামাসের তরফে এজেদিন আল কাশেম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু ওবেইদা এই কথা জানান।
ইজরায়েলের উদ্দেশে ওবেইদা বলেছেন, “আমরা বন্দি আদান-প্রদানের প্রস্তাব দিচ্ছি। যদি ইজরায়েল অবিলম্বে তাদের জেলে বন্দি থাকা সমস্ত প্যালেস্তাইনিদের ছেড়ে দেয়, তাহলে হামাসও তাঁদের হেফাজতে থাকা সমস্ত বন্দিদের মুক্তি দেবে।” শনিবার সকালেই যদিও হামাস তাঁদের আটজন বন্দিকে মুক্তির জন্য খোঁজাখুঁজি শুরু করেছিল, যাঁদের কাছে রাশিয়া-ইজরায়েল দুই দেশের নাগরিকত্বই রয়েছে। রাশিয়ার তরফে বিশেষ অনুরোধ জানানোর পরেই তাঁরা ওই আট নাগরিককে মুক্তি দেওয়ার কথা জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, মস্কোর সঙ্গে হামাসের সম্পর্ক বরাবরই বন্ধুত্বপূর্ণ। ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরুর পর বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ ইজরায়েলের পক্ষ নিলেও, রাশিয়া এখনও তার বন্ধু দেশ প্যালেস্তাইনের পাশেই রয়েছে। তাদেরই সমর্থন করেছে। এমনকী হামাসকে কোনওরকম সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর তকমাও দেয়নি মস্কো। তাই শনিবার রাশিয়ার তরফে তাঁদের নাগরিকত্ব থাকা এমন বন্দিদের মুক্তির অনুরোধ জানালে সঙ্গে সঙ্গে তা মেনে নেয় হামাস। তবে এবার তাঁরা আরও বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার কথা জানিয়েছে।
এদিকে, হামাসের এই ঘোষণার পর ইজরায়েল দাবি করেছে, তাঁদের লাগাতার আক্রমণে হামাস পিছু হঠছে। তাই এখন বিনিময় প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। ইজরায়েলের লাগাতার আক্রমণে হামাসের একাধিক শীর্ষ নেতার মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে আইডিএফের তরফে। দু’পক্ষের সম্মুখ সমরে বর্তমানে গাজা কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। সেই চাপের মুখে হামাস নতিস্বীকার করেছে বলে ইজরায়েল দাবি করলেও তা মানছে না হামাস। তাঁরা যদিও দাবি করছে, ইজরায়েলের সেনাদের তাঁরাও পাল্টা জবাব দিয়েছে।