Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকলেন টুইটার কর্মীরা, প্রাক্তন সিইও পরাগ চাইলেন ১২ কোটি ডলার

ইলন মাস্কের থেকে নয় নয় করেও ১২ কোটি ডলার চেয়ে মামলা করেছেন পরাগ।

ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকলেন টুইটার কর্মীরা, প্রাক্তন সিইও পরাগ চাইলেন ১২ কোটি ডলার

শেষ আপডেট: 5 March 2024 07:57

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঘোরতর সমস্যায় টুইটার কর্তা ইলন মাস্ক। 'পাওনা টাকা' চেয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন কোম্পানির প্রাক্তন সিইও পরাগ আগরওয়াল ছাড়াও দুই শীর্ষ কর্তা। টুইটারের প্রাক্তন কর্তাদের দাবি, কোম্পানি থেকে বেআইনিভাবে ছেঁটে ফেলা হয়েছিল তাঁদের। মাস্কের থেকে নয় নয় করেও ১২ কোটি ডলার চেয়ে মামলা করেছেন পরাগ।

টুইটার কেনার পরেই কোম্পানির তৎকালীন সিইও পরাগ আগরওয়াল-সহ কয়েকজন শীর্ষ কর্তাকে বরখাস্ত করেছিলেন ইলন মাস্ক। সে নিয়ে আদালতে গিয়েছিলেন পরাগরা। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, চাকরি সম্পর্কিত মামলা, তদন্ত ও অনুসন্ধানের খরচের জন্য অর্থ ফেরতের দাবি তুলেছেন পরাগরা। তাঁদের দাবি, টুইটার আইনত তাঁদের ১২ কোটি ডলার ফেরত দিতে বাধ্য।

প্রসঙ্গত গত বছর এপ্রিল মাসে ৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলার খরচ করে টুইটার কেনার কথা ঘোষণা করেছিলেন ইলন। কিন্তু ভুয়ো অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার ক্ষেত্রে টুইটার যথাযথ পদক্ষেপ করছে না বলে দাবি করে সেই চুক্তি থেকে সরে আসেন মাস্ক। সংস্থার শেয়ার দর পড়তে থাকে। এর পরই আইনি লড়াই শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত মাস্ক টুইটার কিনতে পারবেন কি না, এ নিয়ে সংশয়ও দেখা যায়।

টুইটার কেনার চুক্তি সম্পন্ন হলে সংস্থার প্রায় ৭৫ শতাংশ কর্মীকে ছাঁটাই করার পরিকল্পনা করেন মাস্ক। ছাঁটাই করা হয় সেই সময়ের সিইও পরাগ আগরওয়াল-সহ আরও কয়েকজনকে। মাস্কের বিরুদ্ধে অভিযোগ, কোম্পানি অধিগ্রহণ করলেও কোম্পানির প্রচুর বকেয়া রয়েছে গিয়েছে। যা তিনি আজও মেটাননি। যা নিয়ে এবার সরব হয়েছেন, কোম্পানির প্রাক্তন তিন এক্সিকিউটিভ। তাঁদের দাবি, টুইটার তাদের অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ। ইলন তাঁর মর্জিমাফিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। তাঁকে চুক্তি মেনে চলতেই হবে।


```