
যুবরাজ হ্যারি ও মেগান মার্কল।
শেষ আপডেট: 19 October 2024 12:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিলেতের রাজবাড়ির কেচ্ছা চিরকালীন তারিয়ে উপভোগ্য বিষয়। ভিক্টোরিয়া থেকে লেডি ডায়ানা কেউই বাদ পড়েননি ইংল্যান্ডের রাজপরিবারের অন্দরের গোপন রহস্য থেকে। একসময় বিশ্ব শাসন করা ইংরেজ রাজমহলের হেঁসেলের খবর তাই এখনও খেজুর গাছে হাঁড়ি বাঁধার মতোই রসিয়ে আস্বাদ করার খাবার। যেমন, এখন শোনা যাচ্ছে যুবরাজ হ্যারি এবং মেগান মার্কলের বিবাহবিচ্ছেদের প্রায় নিশ্চিত খবর। বিভিন্ন সংবাদে বলছে, দুজনেই আপাতত পৃথক থাকার পরিকল্পনা ফেঁদে ফেলেছেন।
পদাধিকার হিসেবে যুবরাজ হ্যারি হলেন সাসেক্সের ডিউক এবং মেগান মার্কল হলেন ডাচেস অফ সাসেক্স। দুজনেই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একা যেতে শুরু করায় গুজব ছড়াতে সিদ্ধহস্ত ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ছেঁকে উঠেপড়ে লেগেছে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদের সমূহ সম্ভাবনা নিয়ে। বিভিন্ন খবরে লিখছে, দম্পতি এখন থেকেই বিচ্ছিন্ন হওয়ার জন্য পৃথক হওয়ার পথে চলেছেন।
বিনোদন সংক্রান্ত অনলাইন সংবাদমাধ্যম রাডারঅনলাইন-এর খবর অনুযায়ী, ডিউক অফ সাসেক্স সম্প্রতি আফ্রিকার লেসোথোতে তাঁর ৪০-তম জন্মদিন পালন করেন বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে। যেখানে তাঁর পরিবার উপস্থিত ছিল না। সাংবাদিকের নিশ্চিত ধারণা, হ্যারির এই কাজই প্রমাণ করে তাঁর সঙ্গে মার্কলের সম্পর্কে চিড় ধরে গিয়েছে। রাজদম্পতি এতকাল বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে যুগলেই যেতেন। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে তাঁদের একসঙ্গে আর জনতার মাঝে দেখা যাচ্ছে না।
স্টার ম্যাগাজিন লিখেছে, হ্যারি আফ্রিকা ছাড়াও নিউইয়র্কেও একলা গিয়েছিলেন। যেখানে তাঁকে বেশ হাসিখুশি এবং খোলামেলা লেগেছিল। পত্রিকার সূত্র জানিয়েছে, হ্যারি সাধারণ অতিথিদের সঙ্গে অত্যন্ত প্রাণখোলা ব্যবহার করেছেন। সেই পত্রিকারও মতে, হ্যারি এবং মেগান পরীক্ষামূলকভাবে সেপারেশনের পথে চলেছেন। তাঁরা বুঝতে পেরেছেন তাঁদের সম্পর্ক আর টেকার পথে যাবে না। ৪৩ বছর বয়সি মেগান মার্কলের অতি নিয়ন্ত্রণবাদী মনোভাবের সঙ্গে এঁটে উঠতে পারছেন যুবরাজ।
রাডারঅনলাইন আরও লিখেছে, হ্যারি এবং মেগান আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। সেই মতো তাঁরা সেপারেশনে যাচ্ছেন, যা বিবাহবিচ্ছেদের আগের পর্ব। সূত্রের দাবি, তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ পরিণতির দিকে গড়াচ্ছে, দীর্ঘদিন ধরেই দুজনের বিভিন্ন কারণে বনিবনা হচ্ছিল না। যদিও এই গুজবের মধ্যে রাজপুত্র ও যুবরানি সম্প্রতি পর্তুগালে একটি খামারবাড়ি কিনেছেন। পর্তুগালে এই সম্পত্তি কেনার ফলে হ্যারি ও মেগান ইউরোপীয় ইউনিয়নের গোল্ডেন ভিসাও পেয়েছেন। যার ফলে এই মহাদেশের যে কোনও দেশে যাতায়াত খুবই সহজসাধ্য হয়ে যাবে।