
দুর্ঘটনাগ্রস্ত সেই বিমানের অংশ
শেষ আপডেট: 25 July 2024 19:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ নেপালের কাঠমাণ্ডুতে ভেঙে পড়ে একটি যাত্রীবাহী বিমান। পাইলট ছাড়া বাকি সকল যাত্রীরই মৃত্যু হয়েছে এই ঘটনায়। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখতে একটি তদন্তকারী কমিটি গঠন করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। তাঁদের হাতেই বৃহস্পতিবার তুলে দেওয়া হয়েছে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্স।
কাঠমাণ্ডুর ত্রিভূবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১৯ জন যাত্রী নিয়ে শৌর্য্য এয়ারলাইন্সের বিমানটি পোখরা যাচ্ছিল। তবে টেক অফের সময়ই আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভেঙে পড়ে সেটি। বিমানের মোট ১৯ জন যাত্রীর মধ্যে ১৮ জনের মৃত্যু হয়। সেই দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটির ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার হয়েছিল। সেটাই এখন তদন্ত কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, বিমান ভেঙে পড়ার আসল কারণ খুব শীঘ্রই সামনে আসবে এবার।
দুর্ঘটনার সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের টিম গঠন করা হয়েছে। তারা আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেবে। প্রসঙ্গত ওই বিমানে ক্রু সদস্য নিয়ে ১৯ জন ছিলেন। প্রাথমিকভাবে আশঙ্কা করা হয়েছিল সকলেরই মৃত্যু হয়েছে। তবে শেষে পাইলটকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়। বাকিদের মধ্যে ১৫ জনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছিল। বাকি তিনজন হাসপাতালে মারা যান।
সোশ্যাল মিডিয়ায় বিমান ভেঙে পড়ার একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা গেছে, দাউদাউ করে জ্বলছে বিমানটি এবং তার জন্যই প্রায় বিমানবন্দর এলাকাটি কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গেছিল। বিমানবন্দর সূত্রে খবর, দুর্ঘটনার কবলে পড়া বিমানটি বর্মার্ডিয়ার সিআরজে-২০০ জেট বিমান ছিল। টেক অফ করার সঙ্গে সঙ্গে ডান দিকে হেলে পড়েছিল সেটি। তাতেই ঘটে বিপত্তি।