.webp)
আনোয়ারুল আজিম আনারের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন
শেষ আপডেট: 25 May 2024 16:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি আনোয়ারুল আজিম আনারকে হত্যা ও তার মরদেহ টুকরো টুকরো করার পর তার পাশে বসেই খাবার ও মদ খায় খুনিরা। খুনের পর আনারের মরদেহ ফ্ল্যাটের বাথরুমে নেওয়া হয়। সেখানে বসেই টুকরো টুকরো করা হয় তাঁকে। বাথরুমে যেন কোনও ক্লু না থাকে, তার জন্য ভালোভাবে জায়গাটি পরিষ্কারও করে তারা।
এদিকে, আনার হত্যায় জড়িতদের শাস্তি ও মৃতদেহ উদ্ধারের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন দলীয় নেতা–কর্মীরা। আজ, শনিবার বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত শহরে তাঁর বাড়ির সামনে এক কর্মসূচি পালন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন এমপির মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন।
মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন বলেন, বাবাকে হত্যার পরিকল্পনাকারী শাহিনকে গ্রেফতার করে দ্রুত বিচার করা হোক, সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। তাহলে হয়তো অনেক তথ্য বেরিয়ে আসবে। অনেক আগে কালীগঞ্জে আসত শাহিন, খেলা করত। বাবার সঙ্গে তার পরিচয় থাকতে পারে, তবে আমার বাবার সঙ্গে শাহিনের ব্যবসা ছিল বলে জানা নেই।
তিনি আরও বলেন, আমি বাবাকে শেষবারের মতো ছুঁয়ে দেখতে চাই। কতটা কষ্ট পেয়েছে, বাবাকে দেখে একটু বুঝতে চাই। একজন মানুষকে কী করে এমনভাবে মারতে পারে! এমনভাবে বাবাকে কেটে কেটে টুকরো করা হয়েছে, জীবনেও ভুলতে পারব না।
ডরিন আরও বলেন, যদি আল্লা থাকেন, তাহলে আমার বিশ্বাস তিনি বিচার করবেন। এই খুনের জন্য অনেক দিন ধরেই সাজিয়ে-গুছিয়ে বড় অপরাধ ঘটিয়েছে। খুনের নেপথ্যে যাদের নাম এসেছে, তাদের বিদেশ থেকে নিয়ে আসার কথা জানান মুমতারিন ফেরদৌস। তিনি বলেন, কান টানলে মাথা আসবে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আবেগ জড়ানো কণ্ঠে বলেন, আমি বাবাকে শেষবারের মতো ছুঁয়ে দেখতে চাই। একজন মানুষ মানুষকে এমনভাবে কী করে মারতে পারে?
তাঁর দাবি, কালীগঞ্জে আমার বাবার জনপ্রিয়তা দেখে আটকানোর জন্য একসময় তাঁর নামে মিথ্যা মামলা ও অপপ্রচার করা হয়। পরে এসব মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। এর প্রমাণও আমাদের কাছে আছে। ফেরদৌস জানান, প্রধানমন্ত্রী আমাকে ফোনে বলেছেন, ধৈর্য ধরতে হবে। ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হবে। ধৈর্য ধরো, আমি সঙ্গে আছি।