
রাফায় ইজরায়েলের হামলা নিয়ে সরব বিশ্ব
শেষ আপডেট: 29 May 2024 11:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত বছর অক্টোবর মাসে হামাসের অতর্কিত হামলার পর গোটা গাজা ভূখণ্ড কার্যত ধ্বংস করে দিয়েছে ইজরায়েল। এমন অবস্থায় গাজার কুড়ি লক্ষের কাছাকাছি জনসংখ্যার সবটাই প্রায় ভিড় করেছে দক্ষিণ সীমান্তের রাফা শহরে। তবে সেখানেও রবিবার হয় ইজরায়েলি হামলা। শিশু সহ অন্তত ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে সেই ঘটনায়। তারপরই থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ড করতে শুরু করেছে 'অল আইজ অন রাফা' পোস্ট।
তিন দিক দিয়ে গাজা ভূখণ্ডের একমাত্র 'প্রতিবেশী' ইজরায়েল। তবে হামাসের হামলার পর থেকে গাজাকে বিশ্বের বুক থেকে নিশ্চিহ্ন করতে উদ্যোগী হয়েছে নেতানিয়াহুর দেশ। গাজার আক্রমণ থেকে বেঁচে এখন কয়েক লক্ষ্য মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন রাফায়।
ইজরায়েল সেখানেও হামলা করতে পারে আশঙ্কা করে বিশ্বজুড়ে একাধিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা নেতানিয়াহু সরকারকে অনুরোধ করেছিলেন যাতে রাফাকে রেহাই দেওয়া হয়। কিন্তু তেমনটা হয়নি। রাফায় শেষ পর্যন্ত হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল।
রবিবারের রাতের ওই ঘটনাকে অবশ্য 'দুঃখজনক ভুল' বলে অভিহিত করেছেন ইজরায়েল প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতনিয়াহু। তাঁর দাবি, সেনা জানিয়েছিল, হামাস জঙ্গিদের ঘাঁটিতে সফল অভিযানে চালানো হয়েছে। নিকেশ হয়েছে বেশ কয়েক জন হামাস কমান্ডার! কিন্তু পরে দেখা যায় হামলা হয়েছে শরণার্থী শিবিরে। এই হামলার ঘটনা ঘিরেই নিন্দায় সরব গোটা বিশ্ব।
রাফা সীমান্তে জড়ো হওয়া প্যালেস্টাইনি নাগরিকদের উপরে নির্বিচারে গুলি ও বোমাবর্ষণ করে ইজরায়েলি সেনা এবং বিমানবাহিনী। এই হামলার ঘটনায় এক মিশরীয় সেনাও নিহত হয়েছেন বলে খবর। বিষয় হল, গাজার একমাত্র 'আশার আলো' মিশর। সেখানে ত্রাণ পাঠানোর জন্য নিয়ন্ত্রিত ভাবে সীমান্তের দরজাও খুলেছিল তারা। তবে ইজরায়েলি হামলার জবাবও তারা দিয়েছে।
তাৎপর্যপূর্ণ ব্যাপার, ১৯৭৯ সালে প্রথম আরব দেশ হিসাবে ইজরায়েলের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করেছিল মিশর। তাহলে এই ঘটনার পর কি মধ্যপ্রাচ্যেও যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়ে গেল?