
শেষ আপডেট: 1 January 2024 14:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বছরের প্রথম দিনেই বড়সড় বিপর্যয় জাপানে। ৭.৫ রিখটার মাত্রার ভূমিকম্পে থরথর করে কাঁপল জাপান। ইতিমধ্যেই ওয়াজিমা উপকূলে ১.২ মিটার ঢেউ ওঠা শুরু হয়েছে। ফলে ভূমিকম্পের ঠিক পরেই সুনামির সতর্কতা জারি হয়েছে। সমুদ্রের ঢেউ ৫ মিটার পর্যন্ত উঠতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। উপকূলবর্তী অঞ্চল থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।
An earthquake with a preliminary magnitude of 7.6 hit north-central Japan. The Japan Meteorological Agency issued a tsunami warning along the western coastal regions of Ishikawa, Niigata and Toyama prefectures, reports Reuters
— ANI (@ANI) January 1, 2024
জাতীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র বা ন্যাশানাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য অনুযায়ী, ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল মাটি থেকে অন্তত ১০ কিলোমিটার গভীরে। তারই আফ্টারশক বা ভূমিকম্প পরবর্তী কম্পনে কেঁপে ওঠে টোকিও-সহ একাধিক শহর। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে মধ্য জাপান। কম্পন অনুভূত হয়েছে রাজধানী টোকিও-সহ একাধিক বড় শহরে। দেশের পশ্চিম উপকূলে জারি হয়েছে সুনামি সতর্কতা।
চার দিন আগেই জাপানে আরও এক বার ভূমিকম্প হয়। দেশের পূর্ব উপকূলে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর অবস্থিত কুরলি দ্বীপ এবং সংলগ্ন এলাকা কেঁপে উঠেছিল সেই কম্পনে। জাপানের পূর্ব উপকূলে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর অবস্থিত কুরলি দ্বীপ। জাপানের মূল ভূখণ্ড থেকে যার দূরত্ব দেড় হাজার কিলোমিটারের বেশি। জোরালো ভূমিকম্পের ফলে সংলগ্ন সমুদ্রে সুনামি আসতে পারে বলে তখনই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।
ইশিকাওয়ার নোটো এলাকায় কম্পনের উৎসস্থল। তার পরে কম্পন অনুভূত হয়েছে একাধিক শহরে। ইতিমধ্যেই এক মিটার সমান উঁচু ঢেউ উঠতে শুরু হয়েছে ইশিকাওয়া এলাকার উপকূলে। সুনামি সতর্কতা জারি হয়েছে গোটা দেশে। উপকূলবর্তী এলাকাগুলোর বাসিন্দাদের বলা হয়েছে, উঁচু বাড়িতে বা অন্য এলাকায় আশ্রয় নিতে। সমুদ্র ফুঁসে ৫ মিটার অবধি ঢেউ উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
২০১১ সালে জাপানে ভয়াবহ সুনামি হয়। ওই বছর মার্চে যে ভূমিকম্প হয়েছিল, রিখটার স্কেলে তার তীব্রতা ছিল ৯.০। দেখা গিয়েছিল, সমুদ্রের জলের তোড়ে খেলনার মতো ভেসে যাচ্ছে বাড়িঘর, গাড়ি। আতঙ্কে ছুটোছুটি করছেন মানুষজন। ক্ষতিগ্রস্ত হয় বহু বাড়ি, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, রেল পরিষেবা বিপর্যস্ত হয়।