Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিমানের সবচেয়ে ছোট যাত্রীও মারা গেছে সাউথ কোরিয়ার দুর্ঘটনায়, ৩ বছরের শিশুর শেষ ছবি ভাইরাল

ব্যাংকক থেকে দক্ষিণ কোরিয়া ফেরার সময় ল্যান্ডিংয়ের আগে ভেঙে পড়েছিল এই বিমানটি। মৃত্যু হয় বিমানে উপস্থিত ১৮১ জনের মধ্যে ১৭৯ জনের।

বিমানের সবচেয়ে ছোট যাত্রীও মারা গেছে সাউথ কোরিয়ার দুর্ঘটনায়, ৩ বছরের শিশুর শেষ ছবি ভাইরাল

বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৩ বছরের শিশুর

শেষ আপডেট: 31 December 2024 17:32

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাবা-মার সঙ্গে প্রথম বিদেশ ঘুরতে গেছিল ৩ বছরের ছোট্ট ছেলেটা। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে জীবনের প্রথম ট্যুরটাই তার শেষ ট্যুর হয়ে গেল। দক্ষিণ কোরিয়ায় যে বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে তাতেই মারা গেছে সে। আর এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্যাংয়ের বিমানের জানলার ধারে বসা একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। সেই ছবি দেখে শিহরিত হচ্ছেন সকলে, কারণ ওটাই তার জীবনের শেষ ছবি।

ব্যাংকক থেকে দক্ষিণ কোরিয়া ফেরার সময় ল্যান্ডিংয়ের আগে ভেঙে পড়েছিল এই বিমানটি। মৃত্যু হয় বিমানে উপস্থিত ১৮১ জনের মধ্যে ১৭৯ জনের। তাদের মধ্যেই রয়েছে ৩ বছরের শিশুটির। এই দুর্ঘটনায় যাদের মৃত্যু হয়েছে তার মধ্যে সবথেকে কম বয়স তারই। ক্রিসমাসের ছুটি কাটাতে ছেলেকে নিয়ে ব্যাংকক গেছিলেন ক্যাং কো (৪৩), তাঁর স্ত্রী জিন লি (৩৭)। কিন্তু আর ঘরে ফেরা হল না তাঁদের। 

দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এই ৩ বছরের শিশুর থেকে কম বয়সি কারও খোঁজ মেলেনি যার এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে। এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্যাং এবং জিনের ব্যাংকক ভ্রমণের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সেটা দেখে বোঝা যাচ্ছে, নিজেদের ট্রিপের প্রতিটি মুহূর্ত তাঁরা জীবনের জন্য সঞ্চয় করে রাখতে চেয়েছিলেন।

এই দুর্ঘটনায় ১৭৯ জনের মৃত্যু হলেও বেঁচে গেছেন মাত্র ২ জন। ওই দুই বিমান সেবিকা একেবারে পেছনের আসনে বসেছিলেন। এই আসনগুলোকেই বিমানের অন্যতম সুরক্ষিত আসন বলে মনে করা হয়। ২০১৫ সালে টাইম ম্যাগাজিনের করা সমীক্ষার পরিসংখ্যান বলছে, বিমানের একেবারে সামনের আসনে বসা যাত্রীদের দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার ৩৮ শতাংশ। মধ্যিখানে যাঁরা বসেন, তাঁদের সংখ্যাটা ৩৯ শতাংশ এবং পেছনের আসনে বসা যাত্রীদের দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার ৩২ শতাংশ। 

জেজু এয়ারলাইন্সের ৭সি ২২১৬ বিমানটি থাইল্যান্ডের ব্যাঙ্কক থেকে ফিরছিল। অবতরণের মুহূর্তে রানওয়ে থেকে সরে গিয়ে দেওয়ালে সজোরে ধাক্কা লেগে বিস্ফোরণ ঘটে। যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তাতে জানা গেছে, দুর্ঘটনার কয়েক মুহূর্ত আগে 'মে-ডে' ঘোষণা করেছিলেন পাইলট। কিন্তু তাতেও কোনও লাভ হয়নি। প্রথমবার ল্যান্ডিং করাতে গিয়ে তিনি ব্যর্থ হন। দ্বিতীয়বার বিমান ল্যান্ড করাতে গিয়েই ঘটে দুর্ঘটনা। 


```