
শেষ আপডেট: 27 October 2023 12:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিনজনেই দুর্ধর্ষ যোদ্ধা। প্রশিক্ষণ নেওয়া কমব্যাট ট্রেনার। অস্ত্রশস্ত্রে বিশাল জ্ঞান। হামাস বাহিনীকে নেতৃত্ব দিচ্ছিল এই তিনজনই। হামাসের এই তিন ব্যাটেলিয়ন কম্যান্ডারকে এতদিন হন্যে হয়ে খুঁজছিল ইজরায়েলি সেনা। গাজায় এয়ার স্ট্রাইকে এই তিন ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ কম্যান্ডার নিকেশ হয়েছে বলে জানিয়েছে ইজরায়েলি বাহিনী।
ইজরায়েলি সেনা সূত্রে খবর, হামাসের দারাজ তুফা ব্যাটেলিয়নের তিন কমান্ডারের নাম ইব্রাহিম জাদবা, রিফাত আব্বাস ও তারেক মারুফ। ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ) জানিয়েছে, হামাসের এই তিন শীর্ষ কমান্ডারই ইজরায়েলে অতর্কিতে হামলা চালানোর ছক কষেছিল। হামাসের যত আন্দোলন, সামরিক সাজসজ্জা সবকিছু পরিচালনার দায়িত্ব সামলাত এই তিনজনই। এদের কেউ বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ, আবার কেউ রণকৌশলে পারদর্শী। যুদ্ধাস্ত্র প্রয়োগের কৌশল, পণবন্দি করার কায়দা, আক্রমণ করার পদ্ধতি সবই এদের নখদর্পনে।
সেই অগস্ট মাস থেকে গাজা সীমান্তেই প্রশিক্ষণ চলছিল হামাসদের। একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে ইজরায়েলের ‘দি গ্রেট স্মার্ট ফেন্স’-এর সামরিক ঘাঁটির আদলে তৈরি পরিকাঠামোর ভেতরে ঢুকে হামলা চালানোর পদ্ধতি অভ্যাস করছে হামাস। গাজা-ইজরায়েল সীমান্তবর্তী অ্যারেজ ক্রসিং থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে ছিল এই প্রশিক্ষণ শিবির। ইরানের কমব্যাট ট্রেনারদের থেকে যুদ্ধ কৌশল শিখে এই কমান্ডাররাই নাকি হামাসের তরুণ বাহিনীকে তৈরি করছিল।
গত ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের উপর অতর্কিতে হামলা চালায় হামাস গোষ্ঠী। শুধু ইজরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদকে বোকা বানানোই নয়, একাধিক আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র হোয়াইট ফসফরাস বোমা থেকে শুরু করে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা আয়রন ডোম নিয়ে গোটা বিশ্বকে চমকে দিয়েছে হামাস। এই আক্রমণের আগে ইজরায়েল-গাজা সীমান্তেই এক গোপন স্থানে প্রায় বছর দুয়েক প্রশিক্ষণ নিয়েছিল হামাস বাহিনী। তিলে তিলে নবীন যোদ্ধাদের তৈরি করেছিলেন হামাসের অনেক প্রবীণ ও শীর্ষ নেতারাই। তাদের মধ্য়ে ছিল এই তিনজনও। ইজরায়েল দাবি করেছে, বিমান হানায় ওই তিন শীর্ষ কমান্ডারকেই খতম করা হয়েছে।