
শেষ আপডেট: 15 April 2024 17:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০১১ সালের ২ মে। পাকিস্তানের আ্যবোটাবাদ শহরে মার্কিন কমান্ডোদের অপারেশন জেরোনিমোয় মৃত্যু হয় কুখ্যাত জঙ্গি নেতা ওসামা বিন লাদেনের। গোপনসূত্রে খবর পেয়ে মার্কিন কমান্ডোরা ২টি হেলিকপ্টারযোগে হামলা চালিয়েছিল লাদেনের বাসভবনে।
লাদেন যে ইসলামাবাদেই রয়েছে এবং তাঁর ডেরায় মার্কিন কমান্ডোরা হামলা চালাতে পারে, এখবর ছিল ইসলামবাদের কাছেও। ঘটনার এক যুগ পর সম্প্রতি পাকিস্তানের এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজ়া গিলানি।
আর কয়েকদিন পরেই পাকিস্তানের নির্বাচন। নির্বাচনকে ঘিরে তপ্ত ইসলামাবাদের রাজনীতি। গিলানির এমন মন্তব্যের জেরে সেই উত্তাপ আরও বেড়েছে।
২০০৮ সাল থেকে ২০১২ সালের মধ্যে একাধিকবার পাকিস্তান সফরে এসেছিলেন তৎকালীন মার্কিন সেক্রেটারি অব স্টেটস। সেই সময় পাক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইউসুফ রাজ়া গিলানি। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গিলানির দাবি, “২০০৮ সালের ডিসেম্বর পাকিস্তানি সফরে এসে রাইস যখন তাঁকে লাদেন সম্পর্কে আশঙ্কার কথা শুনিয়েছিলেন। অভিযানের ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন।”
তাহলে সেই সময় বলেননি কেন? গিলানির দাবি, “আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলির মুখ বন্ধ করতেই তিনি সেই সময় বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেননি।“
সামনে ভোট। তার আগে গিলানি কেন গোপন তথ্য ফাঁস করলেন তা নিয়েও জল্পনা ছড়িয়েছে ইসালামাবাদের রাজনৈতিক মহলে। যদিও প্রাক্তন পাক প্রেসিডেন্টের দাবি, “অভিযানের বিষয়ে আমেরিকা নির্দিষ্ট করে কিছু জানায়নি। তাহলে হয়তো আমরাও সাহায্য করতে পারতাম।“