Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নইলে এতক্ষণে অবনমনের প্রস্তুতি নিত কেকেআর TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্যক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল

চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানো পাকিস্তানি জাহাজের পণ্য নিয়ে মুখ খুলছে না বাংলাদেশ, চিন্তিত ভারত

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করা মালবাহী জাহাজের কন্টেনারে কোন ধরনের পণ্য আছে সে ব্যাপারে ৪৮ ঘণ্টা পরেও মুখ খোলেনি বাংলাদেশ সরকার।

চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানো পাকিস্তানি জাহাজের পণ্য নিয়ে মুখ খুলছে না বাংলাদেশ, চিন্তিত ভারত

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করা পাকিস্তানি মালবাহী জাহাজ।

শেষ আপডেট: 16 November 2024 08:11

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করা মালবাহী জাহাজের কন্টেনারে কোন ধরনের পণ্য আছে সে ব্যাপারে ৪৮ ঘণ্টা পরেও মুখ খোলেনি বাংলাদেশ সরকার। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে এই ব্যাপারে যা বলার সরকার বলবে।

 বন্দর কর্তাদের পাশাপাশি চট্টগ্রাম পুলিশ এবং ইমিগ্রেশন অফিসও নীরব। যদিও শুক্রবার কড়া নিরাপত্তার মধ্যে চল্লিশটি কন্টেনার জাহাজ থেকে নামানো হয়েছে। সেগুলিতে কী আছে তা নিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যেমন কৌতূহল তৈরি হয়েছে, তেমনই চিন্তিত ভারত সরকার। ভারতের একাধিক নিরাপত্তা এজেন্সি পাক জাহাজে অস্ত্র, গোলা-বারুদ থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না। তাদের আশঙ্কা, ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির জঙ্গিদের অস্ত্র সরবরাহে এই ধরনের তৎপরতা হয়ে থাকতে পারে।

আশঙ্কার কারণ বাংলাদেশ সরকারের নীরবতা এবং পাকিস্তানি জাহাজটি সরাসরি চট্টগ্রামে পৌঁছে যাওয়ায়। বাংলাদেশের জন্মের পর যা এই প্রথমবার ঘটল। পাকিস্তান থেকে চট্টগ্রামে জাহাজ চলাচলের দুটি রুট আছে। করাচি থেকে রওনা হয়ে সেগুলি কলম্বো অথবা সিঙ্গাপুরে মাল খালাস করে ফিরে যায়। সেখান থেকে অন্য জাহাজে চট্টগ্রাম আসে। এবার সরাসরি ভারতের সমুদ্র সীমা এড়িয়ে চট্টগ্রামে পৌঁছায় একটি জাহাজ। ফলে সেটিতে কী আছে জানে না সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কার বন্দর কর্তৃপক্ষ।

 ভারতের নিরাপত্তা এজেন্সিগুলির চিন্তার আরও একটি কারণ, বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের একটি সিদ্ধান্ত। সম্প্রতি তারা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে পাক জাহাজের পণ্য খালাসের আগে রুটিন পরীক্ষানিরীক্ষার প্রয়োজন নেই। সময় বাঁচাতে দুই দেশের বোঝাপড়া অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

 অতীতে, ২০০৪ সালে বিএনপি জমানায় চট্টগ্রামে ১০ ট্রাক অস্ত্র ধরা পড়েছিল। তদন্তে জানা যায় সেগুলি পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের পাঠানো অস্ত্র। সেবার পাকিস্তানের একটি জাহাজ কলম্বো থেকে মায়ানমার হয়ে চট্টগ্রামে প্রবেশ করেছিল। সেটিতে প্রায় দেড় চিনা অস্ত্র ছিল বলে তদন্তে জানা যায়।

 উদ্দেশ্য ছিল চট্টগ্রাম থেকে সেগুলি ভারতের উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলির জঙ্গিদের হাতে তুলে দেওয়া। এবারও তেমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না ভারতের নিরাপত্তা কর্তারা। কারণ শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে পাকিস্তানের তৎপরতা বেড়েছে। চট্টগ্রামে শুক্রবার পাক জাহাজ থেকে কন্টেনার নামানোর সময় ঢাকার পাক হাই কমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ উপস্থিত ছিলেন।


```