Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

ছোট বাচ্চাদের মলমূত্রে হাজারের বেশি ভাইরাস, দুশোর বেশি অচেনা প্রজাতি পাওয়া গেল পেটেই

সদ্যোজাত থেকে এক বছর বয়স অবধি বাচ্চাদের মলমূত্রে হাজারের বেশি ভাইরাসের খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা।

ছোট বাচ্চাদের মলমূত্রে হাজারের বেশি ভাইরাস, দুশোর বেশি অচেনা প্রজাতি পাওয়া গেল পেটেই

শেষ আপডেট: 6 February 2024 18:34

দ্য ওয়াল ব্যরো: সদ্যোজাত বা এক থেকে দুই বছর বয়সি বাচ্চারা বাইরের খাবার খায় না। একদম ছোট বাচ্চারা মায়ের দুধের উপরেই নির্ভরশীল। তাহলে এমন ঘটছে কী করে? সদ্যোজাত থেকে এক বছর বয়স অবধি বাচ্চাদের মলমূত্রে হাজারের বেশি ভাইরাসের খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা। দুশোর বেশি অচেনা ভাইরাল স্ট্রেন পাওয়া গেছে অন্ত্রেই।

কোপেনহেগেন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা ছ'শোর বেশি বাচ্চাকে পর্যবেক্ষণে রেখে পরীক্ষা করেছিলেন। ওই শিশুদের বয়স ছিল এক বছরের মধ্যে। বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে যা দেখেছেন তা চমকে দেওয়ার মতোই। গবেষকরা বলছেন, শিশুদের ডায়াপার পরীক্ষা করে হাজারের বেশি ভাইরাস পাওয়া গেছে। বাচ্চাদের অন্ত্রেই পাওয়া গেছে ২০০ রকম ভাইরাসের প্রজাতি।

'নেচার মাইক্রোবায়োলজি' (Nature Microbiology) সায়েন্স জার্নালে এই গবেষণার খবর ছাপা হয়েছে। কোপেনহেগেন ইউনিভার্সিটির ফুড সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড্যানিশ স্যান্ড্রিস নিয়েলসন বলছেন, ৬৪৭ জন শিশুকে পরীক্ষা করে মোট ১০ হাজারের বেশি ভাইরাসের খোঁজ মিলেছে। এইসব ভাইরাস শিশুদের মলমূত্র, অন্ত্র ও খাদ্যনালিতে ছিল। কীভাবে শিশুদের শরীরে এমন ভাইরাস জন্মাচ্ছে তা দেখেই হতচকিত হয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

কীভাবে এত ভাইরাস ঢুকছে ছোট বাচ্চাদের শরীরে?

বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যা, অধিকাংশ বাচ্চারই আঙুল চোষার অভ্যাস থাকে। মা-বাবা খেয়াল না রাখলে, বাচ্চা নোংরা ঘেঁটে সেই আঙুল মুখে ঢুকিয়ে রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নোংরার সঙ্গে ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া ঢুকে পড়ে বাচ্চার শরীরে। তাছাড়া বাচ্চাদের প্রবণতা থাকে মাটি থেকে কিছু কুড়িয়েই মুখে ঢোকানো। সে খেলনা হোক, বা পড়ে থাকা খাবারের টুকরো হোক। তার থেকেও জীবাণু সংক্রমণ হয়।

বাচ্চাদের নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হয়। বারে বারে ডায়াপার বদলাতে হয়। বাড়িতে থাকলেও অনেক বাবা-মা ডায়াপার পরিয়ে রাখেন। ফলে দীর্ঘসময় ভেজা ডায়াপার ও তাতে জমে থাকা মলমূত্রে ভাইরাস জন্মাতে পারে। তার থেকেও বাচ্চার সংক্রমণ হয়।

আরও একটা কারণ হল, নোংরা-অপরিষ্কার হাতে বাচ্চাদের আদর করা। অনেকেই বাইরে থেকে এসেই বাচ্চাকে কোলে নেন, মুখে মুখ দিয়ে চুমু খান। এর থেকেও ভাইরাস ঢুকে যায় বাচ্চার শরীরে। গবেষকরা বলছেন, পরিষ্কার না হয়ে বাচ্চাকে আদর করা ঠিক নয়। তাছাড়া একদম ছোট বাচ্চার গালে বা ঠোঁটে চুমু খাওয়াও উচিত নয়। এর থেকেও বড়দের মুখে বা লালায় থাকা নানারকম জীবাণু চট করে বাচ্চার শরীরে ঢুকে যেতে পারে। তাই সাবধান থাকতে হবে সবদিক দিয়েই।


```