
শেষ আপডেট: 28 December 2020 09:50
আলুর রস: পাতলা করে আলু কেটে আলুর রস স্ট্রেচ মার্কের ওপর আলতো করে মালিশ করুন। ৫-১০ মিনিট রেখে উষ্ণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহ খানেক স্ট্রেচ মার্কের ওপর আলুর রস মাখতে পারলে ফল পাবেন হাতেনাতে।
ডিমের সাদা অংশ: ডিমের সাদা অংশ ভাল করে ফেটিয়ে স্ট্রেচ মার্কের ওপর আলতো করে মাখিয়ে রাখুন। মিনিট পনেরো এ ভাবেই রেখে দিন। শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। তার পর কোনও ময়েশ্চারাইজার মেখে নিন। যত দিন না দাগ হালকা হচ্ছে, এই পদ্ধতি কাজে লাগান।
লেবুর রস: লেবুর রসে রয়েছে ভিটামিন সি, যা যে কোনও দাগের ওপর লাগিয়ে মালিশ করতে হবে। এরপর মিনিট দশেক পর উষ্ণ জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। এ ভাবে সপ্তাহ খানেক স্ট্রেচ মার্কের ওপর লেবুর রস লাগিয়ে মালিশ করলে উপকার পাবেন।
হলুদ: সরষের তেল বা জলের সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে সেই মিশ্রণ একটু ঘন করে স্ট্রেচ মার্কসের ওপর লাগান। দিনে অন্তত ২ বার করে লাগান। ফল পাবেন হাতে নাতে।
অ্যালোভেরা জেল: ত্বকের বেশিরভাগ দাগ দূর করতে প্রতিদিন অ্যালোভেরার রস বা জেল ব্যবহার করতে পারেন যত দিন না দাগ হালকা হচ্ছে। উপকার পাবেন।
এছাড়াও প্রতিদিন যোগব্যায়াম, ময়েশ্চারাইজারের ব্যবহার ত্বকে কোনওরকম স্ট্রেচ পড়ার হাত থেকে রক্ষা করে। ত্বকে চুলকানি জাতীয় সমস্যা হতে দেয় না গবেষণায় দেখা গেছে বাদাম তেল, কোকো-বাটার, অলিভ অয়েল স্ট্রেচ মার্কের ওপরে খুব একটা কার্যকরী নয়। নিম্নলিখিত চিকিৎসাগুলো কমিয়ে দিতে পারে, তবে এইগুলো নিয়ে বিতর্ক রয়েছে বলে জানা গেছে।
১. রেটিনয়েডস: এগুলো ভিটামিন এ-এর ডেরিভেটিভস, যা নতুন কোলাজেন তৈরিতে সাহায্য করে। দাগগুলোকে কমাতেও সহায়তা করে কিন্তু গর্ভবতী মহিলাদের জন্য এটা ব্যবহারযোগ্য নয়। কারণ তাঁদের ওপরে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
২. রাসায়নিক পিলস: ট্রাইক্লোরো এসিটিক অ্যাসিড, ফেনল, রেটিনয়েডস, গ্লাইকোলিক অ্যাসিড কোলাজেনের পরিমাণকে বাড়িয়ে ত্বককে দাগের হাত থেকে রক্ষা করে।
৩. মাইক্রোডার্মাব্রেশন: এটা কোলাজেন ও ইলাস্টিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ত্বককে ভাল রাখে।
৪. প্লাজমা থেরাপি: এই চিকিৎসাপদ্ধতিতে ইনজেকশন দেওয়া হয়। যার ফলে দাগ বিবর্ণ হয়।
তবে স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার মধ্যে দিয়েও সমস্যার সমাধান করা যায়। তবে অনেকসময় পারিবারিক জিনগত সমস্যার কারণেও এই দাগ হতে পারে। সমস্যা খুব হলে ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ নিতে পারেন।