নাক ডাকা আসলে ঘুমের সময় শ্বাসনালি বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়ার লক্ষণ। এতে হঠাৎ রক্তচাপ বেড়ে যায়, শরীরে অক্সিজেন কমে যায় যে কারণে হার্টকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়।
.jpg.webp)
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 27 January 2026 16:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাতে ঘুমের মধ্যে নাক ডাকার অভ্যাস (Snoring habits) অনেকেরই আছে। কেউ কেউ সাধারণ ব্যাপার হিসেবে এই বিষয়টি এড়িয়ে দেন। বাড়িতে অনেকে এনিয়ে হাসাহাসিও করেন, আবার একই ঘরে ঘুমোলে নাক ডাকার আওয়াজে বিরক্তও হন। এভাবেই দিনের পর দিন কেটে যাচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, এই অভ্যাসই কখনও কখনও শরীরে ভয়ানক বিপদের ইঙ্গিত হতে পারে। বিশেষ করে তরুণদের ক্ষেত্রে নাক ডাকার অভ্যাস হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও (Heart Attack Risk before 30) বাড়াতে পারে, এমনই সতর্ক বার্তা দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
সম্প্রতি এক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ অদিতি শর্মা একটি বাস্তব ঘটনা শেয়ার করেন। তিনি জানান, মাত্র ২৯ বছরের এক যুবক, যিনি নিয়মিত জিম করতেন, বড় কোনও অসুখও ছিল না-হঠাৎই তাঁর হার্ট অ্যাটাক হয় (Heart Attack Risk before 30)। যুবকের একটিমাত্র ‘সমস্যা’ ছিল, তিনি প্রতিরাতে জোরে জোরে নাক ডাকতেন (Snoring habits)। পরিবার-বন্ধুরা মজা করলেও তিনি ভাবতেন এটি পুরোপুরি স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি ছিল আরও গুরুতর।
চিকিৎসক অদিতি শর্মার মতে, নাক ডাকা আসলে ঘুমের সময় শ্বাসনালি বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়ার লক্ষণ। এতে হঠাৎ রক্তচাপ বেড়ে যায়, শরীরে অক্সিজেন কমে যায় যে কারণে হার্টকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়। রাতে এই ঘটনা বারবার ঘটলে হার্ট ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে (Snoring and Heart Attack)। তাঁর মতে, অনেক তরুণের মধ্যে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ার একটি বড় কারণ হল এই নাক ডাকার সমস্যাকে গুরুত্ব না দেওয়া।
ডাঃ অদিতি আরও বলেন, “রাতে আপনার নাক ডাকা মানে শরীর বারবার জানাচ্ছে, কিছু সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু আমরা তা বুঝেও গুরুত্ব দিই না।” শুধু স্ট্রেস বা ফোন নয়, বরং শরীরের দেওয়া এই সতর্কবার্তাকে অগ্রাহ্য করাই বড় বিপদের কারণ হতে পারে (Early age heart attack symptoms)।
যদি আপনি নাক ডাকেন, কী করবেন?
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ (Heart disease prevention),
স্লিপ অ্যাপনিয়া (Sleep Apnea warning) আছে কি না, পরীক্ষা করুন: এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে ঘুমের মধ্যে শ্বাস বারবার বন্ধ হয়, ফলে শরীরে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছায় না।
স্লিপ অ্যাপনিয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে, কারণ এটি দীর্ঘমেয়াদে হার্ট-সহ পুরো শরীরের অক্সিজেন সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটায়। তাই নাক ডাকাকে কখনও হালকা ভাবে না নিয়ে প্রয়োজনমতো পরীক্ষা ও চিকিৎসা করানোই সবচেয়ে ভালো।