Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: ‘কাছের অনেককে বলেছিলাম, বৈভবকে প্রথম বলে আউট করব!’ কথা দিয়ে কথা রাখলেন প্রফুল্লI PAC-Vinesh Chandel: ভোর পর্যন্ত আদালতে শুনানি, ১০ দিনের ইডি হেফাজতে আইপ্যাক ডিরেক্টর ভিনেশ'নিষিদ্ধ' ভারতীয় গানে প্রয়াত আশা ভোঁসলেকে শেষ শ্রদ্ধা! পাক চ্যানেলকে শোকজ, সমালোচনা দেশের ভিতরেই হরমুজ মার্কিন নৌ অবরোধে কোণঠাসা ইরান! তেল রফতানি প্রায় থমকে, দিনে ক্ষতি ৪৩৫ মিলিয়ন ডলারIPL 2026: আইপিএল অভিষেকে সেরা বোলিং পারফরম্যান্স! কে এই সাকিব হুসেন? ৪৯ লাখের টিকিট থাকা সত্ত্বেও বোর্ডিং বাতিল! বিমান সংস্থার সিইও-র বিরুদ্ধে FIR-এর নির্দেশ আদালতেরশ্রমিকদের বিক্ষোভে অশান্ত নয়ডা! পাক-যোগে ষড়যন্ত্র? তদন্তে পুলিশ, ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩০০ নিজেকে ‘যিশু’ সাজিয়ে পোস্ট! তীব্র বিতর্কের মুখে ছবি মুছলেন ট্রাম্প, সাফাই দিয়ে কী বললেন?IPL 2026: পয়লা ওভারেই ৩ উইকেট, স্বপ্নের আইপিএল অভিষেক! কে এই প্রফুল্ল হিঙ্গে?ইরান-মার্কিন বৈঠক ব্যর্থ নেতানিয়াহুর ফোনে! ট্রাম্পের প্রতিনিধিকে কী এমন বলেছিলেন, খোলসা করলেন নিজেই

চেটেপুটে ক্যানসার কোষ সাবড়ে দেয়, টিউমার খেকো ভাইরাস বানালেন বিজ্ঞানীরা

ক্যানসার-খেকো ভাইরাস বানিয়ে ফেললেন বিজ্ঞানীরা। এবার কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা হবে।

চেটেপুটে ক্যানসার কোষ সাবড়ে দেয়, টিউমার খেকো ভাইরাস বানালেন বিজ্ঞানীরা

শেষ আপডেট: 4 February 2024 00:20

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ক্যানসারকে টা টা করার দিন কি এসে গেল?

ক্যানসার-খেকো ভাইরাস (Cancer Killing Virus) বানিয়ে ফেললেন বিজ্ঞানীরা। এবার কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা হবে।

টিউমার কোষ দেখলেই তেড়ে গিয়ে গপ করে গিলে ফেলবে। শরীরকেও ক্যানসার প্রতিরোধী রক্ষাকবচ তৈরি করতে উস্কানি দেবে। এই ভাইরাস মানুষের ক্ষতি করবে না। তবে শরীরে ঢুকে ক্যানসার আক্রান্ত কোষগুলোকে ছিন্নভিন্ন করবে। জিনের গঠন বিন্যাস বদলে এমন ক্যানসার-খেকো ভাইরাস (cancer killing virus) বানিয়েছেন আমেরিকার সিটি অব হোপ হাসপাতালের সার্জিক্যাল অনকোলজি বিভাগের গবেষকরা।

ক্যানসার খেকো ভাইরাস

আসলে ভাইরাল স্ট্রেন দিয়ে তৈরি ওষুধ। নাম CF33-hNIS (Cancer Killing Virus)। পক্স ভাইরাসের জেনেটিক বদল ঘটিয়ে এই ধরনের ওষুধ তৈরি করেছেন অধ্যাপক ইউমান ফং। ভাইরাসের নাম CF33। একধরনের অনকোলাইটিক ভাইরাস (Oncolytic Virus)। ল্যাবরেটরিতে বৈজ্ঞানিক উপায়ে তৈরি। বিজ্ঞানী বলেছেন, ওই ড্রাগ আসলে জেনেটিক্যালি মডিফায়েড ভাইরাস যার জিনের গঠন বিন্যাস ইচ্ছামতো বদলে দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই ভাইরাসের সংক্রামক ক্ষমতা নেই। ল্যাবরেটরিতে নিষ্ক্রিয় করে নিজেদের মতো প্রোগ্রামিং করে নিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। জীববিজ্ঞানের ভাষায় এই পদ্ধতিতে বলা হয় 'জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং' (Genetic Engineering)। এই ভাইরাসের এখন কাজ হল টিউমার কোষ দেখলেই নষ্ট করে ফেলা।

শরীরে গিয়ে কী করবে এই ভাইরাস?

জিনগতভাবে বদলে যাওয়া পক্স ভাইরাস বা CF33-hNIS Cancer-Killing Virus) শরীরে ইনজেক্ট করলে মানুষের দেহকোষে ঢুকে এরা সংখ্যায় বাড়বে। ঠিক যেমন অন্যান্য ভাইরাস বিভাজিত হয়ে প্রতিলিপি তৈরি করে সংখ্যায় বাড়তে থাকে। এরা অ্যান্টিজেনের মতো কাজ করবে। ঠিক ক্যানসার আক্রান্ত কোষগুলোর আশপাশে গিয়েই সংখ্যায় বাড়তে থাকবে। শরীরের ইমিউন সিস্টেমও তখন অ্যান্টিবডি তৈরি শুরু করবে।

ফলে কাজ হবে দুটো। এক, বিজ্ঞানীদের তৈরি ভাইরাস (Cancer Killing Virus) চারপাশ থেকে ক্যানসার কোষগুলো ঘিরে ধরে নষ্ট করতে থাকবে, দুই, শরীরে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডি ক্যানসার কোষগুলোকে ছড়িয়ে পড়তে বাধা দেবে। অনেকটা একই ঢিলে দুই পাখি মারার মতো কাজ হবে। গবেষণা এখনও চলছে। তবে ভাইরাস দিয়ে তৈরি ওষুধ বাজারে আসতে আরও বছর দুয়েক সময় লাগবে। মানুষের শরীরে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে এর কার্যকারিতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ই ওষুধ বাজারে আনবেন বিজ্ঞানীরা।


```