৩০ বছর বয়সে জয়েন্টে ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক নয়। এটি জীবনযাত্রার ত্রুটি বা কার্টিলেজ ক্ষয়ের ইঙ্গিত হতে পারে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও সুস্থ থাকার ৫টি উপায় জানুন।
.jpeg.webp)
অল্পবয়সে জয়েন্টে ব্যথা নয় অবহেলার
শেষ আপডেট: 24 February 2026 12:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একটা সময় ভাবা হত জয়েন্টে ব্যথা মানেই বার্ধক্যের লক্ষণ। কিন্তু বদলে যাওয়া জীবনযাত্রায় এখন চিত্রটা অন্যরকম। ৩০-এর কোঠায় পা দিতে না দিতেই অনেকে হাঁটুতে টান, দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার পর কোমরে যন্ত্রণা, কিংবা ল্যাপটপে কাজের পর কাঁধ-ঘাড় আড়ষ্ট হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন। অনেকেই একে ‘সামান্য সমস্যা’ ভেবে পেনকিলার খেয়ে এড়িয়ে যান। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অবহেলা ভবিষ্যতে পঙ্গুত্বের কারণও হতে পারে।
জয়পুরের সিকে বিড়লা হাসপাতালের (CK Birla Hospitals) অর্থোপেডিক্স ও জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট বিভাগের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর ডা. ললিত মোদি জানাচ্ছেন, ৩০ বছর বয়সে জয়েন্টে ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক নয়। এটি জীবনযাত্রার ত্রুটি বা জয়েন্টের ভেতর কোনও গঠনগত সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। তাই কারণ বুঝে দ্রুত সমাধান করা জরুরি।
কেন ৩০-এই বাড়ছে যন্ত্রণা?
চিকিৎসকদের মতে, বর্তমান জীবনযাপনে শরীরের নড়াচড়া প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
কখন সাবধান হওয়া জরুরি?
জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এনেও যদি ব্যথা না কমে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে দেরি করবেন না। বিশেষ করে যদি:
এগুলি কার্টিলেজ ক্ষয়, লিগামেন্টে চোট বা প্রদাহজনিত সমস্যার (Inflammatory condition) লক্ষণ হতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না করালে ভবিষ্যতে আর্থ্রাইটিসের ঝুঁকি প্রবল।
৩০-এ জয়েন্ট সুস্থ রাখার ৫ মন্ত্র
জয়েন্ট বা হাড়ের সংযোগস্থলের আয়ু বাড়াতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ:
১. ওজন নিয়ন্ত্রণ: শরীরের বাড়তি ওজন হাঁটুর ওপর সবথেকে বেশি চাপ তৈরি করে। তাই বিএমআই (BMI) অনুযায়ী ওজন ঠিক রাখুন।
২. পেশি শক্তিশালী করার ব্যায়াম: নিয়মিত স্ট্রেচিং এবং নমনীয়তা বাড়ানোর ব্যায়াম করুন।
৩. বিরতি নিন: টানা বসে থাকবেন না। কাজের ফাঁকে প্রতি ২০-৩০ মিনিট অন্তর একটু উঠে হাঁটুন।
৪. সঠিক পশ্চার: কাজ করার সময় বা ফোন ব্যবহারের সময় পিঠ ও ঘাড় সোজা রাখার চেষ্টা করুন।
৫. পরামর্শ: ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হলে বা জয়েন্টে অস্বস্তি হলে নিজে থেকে ওষুধ না খেয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।