Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

HMPV কোনও নতুন ভাইরাস নয়, প্রথম কেস মেলে ২০০১-এ, করোনার মতো ভয়ঙ্কর কি? রোগের লক্ষণ কেমন?

চিনে প্রাদুর্ভাবের পর এবার ভারতে প্রবেশ করল হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস (এইচএমপিভি)। কর্নাটকে দু'টি শিশুর শরীরে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

HMPV কোনও নতুন ভাইরাস নয়, প্রথম কেস মেলে ২০০১-এ, করোনার মতো ভয়ঙ্কর কি? রোগের লক্ষণ কেমন?

প্রতীকী ছবি: শুভ্র শর্ভিন

শেষ আপডেট: 6 January 2025 20:13

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চিনে প্রাদুর্ভাবের পর এবার ভারতে প্রবেশ করল হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস (এইচএমপিভি)। কর্নাটকে দু'টি শিশুর শরীরে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। প্রথমদিকে এটি সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জার মতোই মনে হলেও, এর উপসর্গ এবং প্রভাব নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ।

কী এই হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস?

২০০১ সালে প্রথম শনাক্ত হওয়া এইচএমপিভি একটি শ্বাসতন্ত্রজনিত ভাইরাস, যার প্রভাব প্রধানত বাচ্চা, প্রবীণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এমন সব ব্যক্তিদের উপর পড়ছে। এটি প্যারামিক্সোভাইরিডি পরিবারভুক্ত ভাইরাস এবং রেসপিরেটরি সিনসাইটিয়াল ভাইরাসের (আরএসভি) আর একটি রূপ। ভাইরাসটি প্রধানত হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়াচ্ছে। শীতের শেষে বা বসন্তকালে এর প্রকোপ বেশি দেখা যায়, যদিও এটি বছরের যে কোনও সময় সংক্রমিত হতে পারে।

এইচএমপিভি ভাইরাসটা অনেকটাই কোভিড-১৯, ইনফ্লুয়েঞ্জা বা নিউমোনিয়ার মতো। উপসর্গগুলিও প্রায় একইরকম। এইচএমপিভি ভাইরাস মূলত প্রভাবিত করে আমাদের শ্বাসযন্ত্রকে। শিশু ও প্রবীণরা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তীব্র শ্বাসকষ্টের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। তবে এই ভাইরাস শুধু শিশু বা বয়স্কদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। কোভিডের মতো এটি যে কোনও বয়সের মানুষের শরীরে প্রভাব ফেলতে পারে। ২০০১ সালে প্রথম এই ভাইরাস পাওয়া গেলেও এত বছর পরেও, এর প্রতিরোধে কোনও টিকা এখনও আবিষ্কার করা হয়নি। 

লক্ষণ দেখে নেওয়া যাক

এইচএমপিভির সাধারণ লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা এবং জ্বর। মাঝারি সংক্রমণে দীর্ঘস্থায়ী কাশি, শ্বাসকষ্ট ও দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। তবে গুরুতর সংক্রমণে ব্রংকাইটিস, ব্রংকিওলাইটিস বা নিউমোনিয়ার মতো জটিলতা তৈরি হতে পারে। বিশেষত শিশু ও প্রবীণদের ক্ষেত্রে, শ্বাসতন্ত্রের গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে। 

এইচএমপিভি সংক্রমণ প্রতিরোধে কিছু সহজ পদক্ষেপ অনুসরণ করা যেতে পারে

নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া। হাঁচি বা কাশির সময় মুখ ঢেকে রাখা। সংক্রামিত ব্যক্তিদের কাছ থেকে দূরে থাকা। নিয়মিত ব্যবহৃত জিনিসপত্র পরিষ্কার রাখা।  

চিকিৎসা যে নেই, তেমনটা নয়!

এইচএমপিভি নির্ণয়ের জন্য আরটিপিসিআর (RT-PCR) পরীক্ষা সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। এই পরীক্ষা ভাইরাসের আরএনএ শনাক্ত করতে সাহায্য করে। এই ভাইরাসের কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ বা টিকা নেই। হালকা সংক্রমণে বিশ্রাম, পর্যাপ্ত জল খাওয়া এবং সাধারণ ওষুধ যথেষ্ট। তবে গুরুতর সংক্রমণে হাসপাতালে ভর্তি ও অক্সিজেন থেরাপি প্রয়োজন হতে পারে।  

কোভিড-১৯ এবং এইচএমপিভির পার্থক্য কোথায়?

এইচএমপিভি এবং কোভিড-১৯ উভয়ই শ্বাসতন্ত্রে আক্রমণ করবে, এমন ধরনের ভাইরাস। তবে কোভিড-১৯ আরও গুরুতর লক্ষণ তৈরি করে এবং এর জন্য টিকা ও নির্দিষ্ট ওষুধ রয়েছে। অন্যদিকে, এইচএমপিভির চিকিৎসা তেমন নেই। 


```