
ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 31 December 2024 11:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২৫ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি, সারা দেশেই কার্যত পার্টি-টাইম। তার উপর আবার আজ ৩১ ডিসেম্বর। বর্ষশেষের উদযাপন বছরের অন্যান্য সময়ের থেকে কিছুটা হলেও বেশি চলে। যাঁরা মদ্যপান করেন, তাঁদের গ্লাসে কিছুটা অ্যালকোহল তো পড়বেই এই সময়ে। তবে কি না, বছরের এই সময়ে এসে কেউ কেউ বাঁধন ছাড়াও হয়ে যান। তার ফল টের পাওয়া যায় পরের দিন। ঘুম ভাঙতেই বোঝা যায়, আগের দিন রাতে ঠিক কতটা মদ্যপান হয়েছে। তারপরে চলতে থাকে মাথা ব্যথা। বিছানা থেকে মাথা তুলতেই কষ্ট হয়। সারাদিন বমি বমি ভাব! অর্থাৎ এক কথায় যাকে বলে হ্যাংওভার।
যাতে এই হ্যাংওভার না হয়, তাই আগে থেকেই বিশেষ কতগুলো বিষয় মাথায় রাখা দরকার। অর্থাৎ খেয়াল রাখতে হবে, মদ্যপান করার আগে যাতে পেট ভর্তি থাকে। পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার খাওয়ার পরেই গ্লাসে অ্যালকোহল ঢালবেন। তবে এমন কিছু খাওয়া উচিত, যাতে জলের পরিমান বেশি থাকে। খুব তেল মশলা যুক্ত খাবার না খাওয়াই ভাল। তাছাড়া যদি ধুমপান করার অভ্যাস থাকে, তবে মদ্যপানের সঙ্গে ধুমপান এড়িয়ে চলা উচিত। এতে হ্যাংওভার বেশি হয়।
এই হ্যাংওভার থেকে মুক্তির উপায় কী?
এই হ্যাংওভার বড় বাজে জিনিস। এর ভয়ে অনেকেই পর দিন অফিস বা কাজ থাকলে রাতে মদ্যপান করতে ভয় পান। কখনও বমিভাব, গলা-জিভ তেতো হয়ে যাওয়া। কখনও আবার পেটের সমস্যাও হয়। এরকম আরও নানা উপসর্গ অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। যাকে অনেকসময়েই হ্যাংওভার বলা হয়। সেই অর্থে এর কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ নেই। তবে এই হ্যাংওভার থেকে বাঁচার উপায় রয়েছে।
অ্যালকোহল শরীর ডিহাইড্রেটেড করে দেয়। ফলে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খাওয়া প্রয়োজন। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত অ্যালকোহল শরীরের প্রয়োজনী খনিজ পদার্থ বের করে দেয়। ফলে রাতভর পার্টির সঙ্গে পর্যাপ্ত জল এবং প্রয়োজনে পরদিন ওআরএস খাওয়া প্রয়োজন।
সকালে উঠে সমস্যা হলেও পেট খালি রাখা যাবে না। জল এবং অল্প হলেও খাবার খেতেই হবে। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে এমন খাবার যেন সকালে থাকে। আমলকি, জোয়ান মুখে রাখা যেতে পারে।
লেবুর মতোই আদাও হ্যাংওভার কাটাতে পারে। এমনই মত অনেকের। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বার করে দেয়। চায়ের সঙ্গে আদা মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। না হলে আদা কুচি চিবিয়ে খেলেও কাজ দেয়। তাতে হ্যাংওভার কমবে।
এই হ্যাঙ্গওভার কাটানোর আরও একটি উপায় হল চা বা কফি পান। হ্যাংওভারের একটি বড় সমস্যা হল মাথা যন্ত্রণা। আর চা-কফি এই সমস্যা মেটায়। এছাড়াও গবেষণা বলছে, কফিতে উপস্থিত ক্যাফিন হ্যাংওভার থেকে দ্রুত মুক্তি পেতে সাহায্য করে।