
শেষ আপডেট: 9 November 2023 17:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাত্র তো একটা দিন। ভয় পেয়ে কাজ নেই। মন চাইলে জমিয়েই মিষ্টি খান। তবে সামান্য কিছু নিয়ম মানলে বাড়াবাড়ি হওয়ার ভয় থাকবে না।
ভাইফোঁটা এলেই হৃদকম্প শুরু হয় ডায়াবেটিসের রোগীদের। মনে মিষ্টি খাওয়ার ভরপুর ইচ্ছা, এদিকে চোখ রাঙাচ্ছে ইনসুলিন। রক্তে শর্করার কথা মনে পড়লেই পাতের শর্করাকে আর পেটে চালান করতে মন চায় না। অজানা আতঙ্কে যেন হাতটাও সিঁটিয়ে যায়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডায়াবেটিস মানে জীবন থেকে পছন্দের সব বাদ চলে গেল এমনটা একেবারেই নয়। ডায়াবেটিস নিয়ে ভুল ধারণা আছে। অনেকেই ভাবেন মিষ্টি খেলে ডায়াবেটিস হয়, এমনটা একেবারেই নয়। কিন্তু রক্তে শর্করা বাড়তে শুরু করলে তখন মিষ্টি খাওয়ায় রাশ টানতে হবে বইকি। তবে গবেষণা বলছে, চিনি বা চিনি জাতীয় খাবার থেকে রক্তে শর্করা বেশি মাত্রায় বাড়ে। বেশি চিনি শুধু ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য নয়, যে কারও জন্যই বিষ। ডায়াবেটিসের ভয়ে মিষ্টি-প্রেমীরা কি একেবারেই সেই রস থেকে বঞ্চিত থাকবেন, সেটা নয়। উৎসবের দিনে মিষ্টিমুখ না করলেই নয়, তবে ডায়াবেটিসের রোগীরা কয়েকটা নিয়ম মানুন। তাতেই হবে।
দীপাবলিতে কেমন মিষ্টি খাবেন ডায়াবেটিসের রোগীরা?
চিনি দেওয়া কড়া পাকের মিষ্টি একদম চলবে না। এখন বেশিরভাগ দোকানেই সুগার ফ্রি দেওয়া মিষ্টি বানায়। খেতেও দারুণ। তেমন মিষ্টি খেতে পারেন।
চিয়া পুডিং ডায়াবেটিস রোগীদের খাদ্য তালিকায় একটি দারুণ জিনিস হতে পারে। চিয়া বীজ অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ। এটি হার্টের রোগের ঝুঁকিও কমায়।
বেশি মিষ্টি খেতে ইচ্ছে হলে চিনি নয় বরং গুড় বা মধু খান।
নারকেলের মিষ্টি বা গুড় দেওয়া মিষ্টি খেতে পারেন, তবে দিনে একটা বা দুটোর বেশি নয়।
ক্র্যানবেরি, রোস্টেট বাদাম দেওয়া একধরনের মিষ্টি পাওয়া যায় সেটা খেতে পারেন।
অনেক দোকানেই অ্য়াভোক্যাডো মুজ় পাওয়া যায়, এতে সুগার কম থাকে।
বাড়িতে অনেক মিষ্টি এসেছে, আর আপনিও চুপিচুপি খেয়ে ফেলেছেন। এরপরে ভয় পাচ্ছেন সুগার বেড়ে যাবে না তো! তাহলে সেদিন কার্বোহাইড্রেট কম খান। ভাত-রুটি পরিমাণে কম খান বা বাদ দিন। বেশি করে ফল খান। ফলে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন ও মিনারেলস থাকে। কার্বোহাইড্রেট বাদ দিলেও ব্যালান্স ঠিক থাকবে। যদি রসালো মিষ্টিও খেতে ইচ্ছে করে তাহলে দিনে একটা খান। তারপর নিয়ম মানুন। আর বিশেষ করে উৎসবের পরে সুগার টেস্ট অবশ্যই করিয়ে নেবেন।