
যত খুশি এসি চালান, বিল কমই আসবে।
শেষ আপডেট: 29 April 2024 19:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এ্রপ্রিলেই নাস্তানাবুদ। কলকাতায় আজ রেকর্ড তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেই রবিবারের আগে বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখছে না হাওয়া অফিস। তার উপরে অতি তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতাও চলছে। এখনও গোটা মে মাসটা বাকি। দুর্দান্ত এই গরমে দমবন্ধ অবস্থা। বাড়িতে বাড়িতে প্রায় সারাক্ষণই এসি চলছে। আর সেই সঙ্গে বুকও দুরুদুরু করছে। মাসের শেষে কী বিপুল পরিমাণ বিদ্যুতের বিল আসবে তা ভেবেই মাথায় হাত পড়ছে।
কিন্তু আপনি কি জানেন, কয়েকটা সহজ উপায় ও সতর্কতা অবলম্বন করলেই কমতে পারে এসির বিলের খরচ! এক নজরে চোখ বুলিয়ে নিন।
১) অনেক সময়ই রিমোট দিয়ে এসি বন্ধ করে দিলেও মেন সুইচ অফ করতে ভুলে যান, বা করেন না এটা ভেবে যে, এসি তো অফ আছে। কিন্তু এর ফলে বাড়ছে আপনার এসির বিল। এসির 'আইডেল লোড' বাড়তে থাকে যা বিদ্যুৎ খরচ বাড়ায়।
২) এসি চললেও পাখা চালিয়ে রাখুন। অনেকেই এসি চালিয়ে পাখা বন্ধ করে দেন। কিন্তু এই পাখাই এসির হাওয়া ঘরের প্রতিটি কোনে পৌঁছে দেয়। পাশাপাশি কম্প্রেসরে চাপও কম পড়ে।
৩) এসি ফিল্টারের ময়লা পরিষ্কার করুন অবশ্যই, একটানা ব্যবহার করার ফলে তাতে ময়লা জমতে থাকে। আর এই ধুলো-বালি ঠান্ডা হাওয়া ছড়িয়ে দিতে বাধা দেয়। যার ফলে এসির কম্প্রেসরে চাপ তৈরি হয় এবং শক্তি খরচ বেড়ে যায়। তাই ফিল্টার পরিষ্কার করুন অথবা সেটি বদলে ফেলুন।
৪) অনেকেই মনে করেন তাপমাত্রা যত কম হবে ততই ঠান্ডা হবে। কিন্তু তা নয়। ব্যুরো অফ এনার্জি এফিসিয়েন্সি (বিইই) অনুসারে, মানবদেহের জন্য ২৪ ডিগ্রি আদর্শ তাপমাত্রা। তাই যদি এই তাপমাত্রায় এসি সেট করলে আপনি আরও বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পারবেন।
৫) এসি একবার কেনা হয়ে গেলে অনেকেই সার্ভিসিং করাতে গড়িমসি করেন। কিন্তু সেটা ভুল। আপনি সময় মত এসি সার্ভিসিং করালে এসি আরও ভাল চলবে। দ্রুত ঘর ঠান্ডা করবে। তাতে খরচও কম পড়বে।
৬) প্রথমে ঘরের সব জানলা-দরজা ভালভাবে বন্ধ করুন। মাথায় রাখতে হবে এসির হাওয়া যাতে কোনও ভাবে ঘরের বাইরে না যায়। যদি একটুকুও বেরিয়ে যায় তো এসির ওপর চাপ পড়বে। দিনের বেলা এসি চালালে ঘরের পর্দাগুলো ভালভাবে টেনে দিন। তাহলে দ্রুত ঘর ঠান্ডা হবে।
৭) ফাইভ স্টার এসি কেনার চেষ্টার করুন। সাধারণ এয়ার কন্ডিশনারের তুলনায় ইনভার্টার সমেত এসি চালালে বিদ্যুতের খরচ কিছুটা কম হয়। অর্থাৎ ইনভার্টার এয়ার কন্ডিশনারগুলো এনার্জি এফিসিয়েন্ট ডিভাইস। কারণ এখানে থাকে ভ্যারিয়েবল স্পিড কম্প্রেসর। ফলে ইনভার্টার সমেত এসি কিছুটা কম বিদ্যুৎ বা ইলেকট্রিক খরচ করে।