Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সাধারণ সর্দি-কাশি থেকে হৃদরোগ, ৪৩ দিন লড়াইয়ের পর শিশুর প্রাণ বাঁচালো কলকাতার হাসপাতাল

আট বছর ধরে অপেক্ষার পর মা-বাবার কোল আলো করে আসে এক শিশু। কিন্তু দুই মাসের মাথায় সে ভয়ঙ্কর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়।

সাধারণ সর্দি-কাশি থেকে হৃদরোগ, ৪৩ দিন লড়াইয়ের পর শিশুর প্রাণ বাঁচালো কলকাতার হাসপাতাল

ফাইল চিত্র

শেষ আপডেট: 25 March 2025 22:13

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আট বছর ধরে অপেক্ষার পর মা-বাবার কোল আলো করে আসে এক শিশু। কিন্তু দুই মাসের মাথায় সে ভয়ঙ্কর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়। সাধারণ সর্দি-কাশির চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে গেলে ধরা পড়ে জটিল হার্টের সমস্যা। শিশুটিকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে দেখানো হয়। এরপর BM Birla Heart Hospital, Kolkata-তে স্থানান্তরিত করা হয়, যেখানে চিকিৎসার দায়িত্ব নেন ডঃ সুভেন্দু মণ্ডল ও ডঃ শতরূপা।  

প্রথমে মনে হয়েছিল শিশুটির অবস্থা খুব বেশি জটিল নয়। তাকে পর্যবেক্ষণের পর ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু এক মাস পর সে হঠাৎ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে দেখা যায়, তার Partial Anomalous Pulmonary Venous Return (PAPVR) নামক বিরল রোগ রয়েছে, যেখানে ফুসফুস থেকে হৃৎপিণ্ডে রক্ত প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হয়।  

শিশুটির জীবন বাঁচাতে ডঃ দাগার নেতৃত্বে সার্জারি করা হয়। অত্যন্ত জটিল এই অস্ত্রোপচারে তার শিরাগুলোকে সঠিকভাবে সংযুক্ত করা হয়। এরপরও শ্বাসকষ্ট থাকায় আরও একটি প্রক্রিয়া করা হয়, যেখানে ক্যাথ ল্যাবের মাধ্যমে অকার্যকর ফুসফুসের রক্ত প্রবাহ বন্ধ করা হয়। 

অন্যদিকে, ডঃ শতরূপা বলেন, "এটি শুধুমাত্র একটি মেডিক্যাল কেস ছিল না, এটি ছিল একটি পরিবারের ভবিষ্যৎ বাঁচানোর লড়াই। আমরা জানতাম, শিশুটিই এই পরিবারটির সবকিছু, তাই তাকে সুস্থ করে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল।" অবশেষে ৪৩ দিন লড়াইয়ের পর শিশুটি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরে। চিকিৎসকরা বলেন, "এটি ছিল সবচেয়ে কঠিন কেসগুলোর একটি। তবে আধুনিক চিকিৎসা ও মা-বাবার ভালবাসায় অসম্ভব সম্ভব হয়েছে।"


```