প্রতিদিনের টেনশন আর কাজের ক্লান্তি থেকে মুক্তি চান ?তাহলে প্রিয় মানুষদের সঙ্গে নিয়ে একটা দিন একটু সবুজের মাঝে কাটিয়ে আসুন। শহরের খুব কাছেই 'প্রকৃতিং পরমাং' সবুজে ঘেরা অসাধারণ একটি স্পট।

'প্রকৃতিং পরমাং'
শেষ আপডেট: 20 March 2026 23:59
প্রতিদিনের টেনশন আর কাজের ক্লান্তি থেকে মুক্তি চান ?তাহলে প্রিয় মানুষদের সঙ্গে নিয়ে একটা দিন একটু সবুজের মাঝে কাটিয়ে আসুন। শহরের খুব কাছেই বারুইপুর-গোবিন্দপুর লাঙলবেড়িয়ায় 'প্রকৃতিং পরমাং' (Prakriting Paramang) সবুজে ঘেরা অসাধারণ একটি স্পট। এলাকায় এটি 'সিঞ্চন সিনহার বাগান' নামেও পরিচিত।
গাছে ঘেরা পথ পেরিয়ে ভেতরে ঢুকলেই মাঝে বিশাল পুকুর। পুকুর ঘিরে যেন সবুজের প্লাবন। আম, জাম, কাঁঠাল, সবেদা, পেয়ারা, নারকেল গাছের পাশাপাশি রয়েছে বেশ কিছু দুষ্প্রাপ্য গাছও। বন্ধুরা মিলে সকাল থেকে সন্ধে কাটিয়ে আসতে পারেন 'প্রকৃতিং পরমাং'য়ে। ব্রেকফাস্ট ;লাঞ্চ,চা কফি সব কিছুরই বেশ ভালো ব্যবস্থা রয়েছে।

'প্রকৃতিং পরমাং'য়ের কর্ণধার সিঞ্চন সিনহা জানালেন, তিনি 2010 সালে যখন এই প্রপার্ট কিনেছিলেন তখন এটি একেবারে জলাজঙ্গল ছিল। সাড়ে পাঁচ বিঘে এই জায়গাটিকে সুন্দর করে সাজাতে সময় লেগেছিল প্রায় বছরখানেক। 2011সালের 26শে জানুয়ারি শ্রীশ্রী সারদেশ্বরী আশ্রমের অধ্যক্ষা মাতা বন্দনাপুরী দেবী (ফুল মা) বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে এটির উদ্বোধন করেন। তিনিই এই স্পটের নামকরণ করেন-'প্রকৃতিং পরমাং'। মায়ের আশীর্বাদকে পাথেয় করে এগিয়েছেন সিঞ্চন।
গেট টুগেদার ,পিকনিক, অফিস সেমিনার থেকে বিয়ের অনুষ্ঠান -সব কিছুরই ব্যবস্থা রয়েছে প্রকৃতিং পরমাংয়ে। র্রযেছে এসি রুম, এসি হল ও আধুনিক সবরকম বন্দোবস্ত । মেনু বলে দিলে বেশ রিজিনেবল দামে খাবারের ব্যবস্থা করে দেন সিঞ্চন। পরিবেশন ও আতিথেয়তা বেশ ভাল।

কীভাবে যাবেন?
কলকাতা থেকে ঘন্টাখানেকের দূরত্বে এই অসাধারণ স্পট। বারুইপুর স্টেশন থেকে টোটোতে মিনিট পনেরো সময় লাগে। গাড়িতে গেলে গুগুল ম্যাপে 'প্রকৃটিং পরমাং'লোকেশন দিলেই পৌঁছে যাবেন স্পটে।