
শেষ আপডেট: 29 January 2024 17:36
খুব ভোরবেলা ওঠেন অমিত। উঠে চা করেন দু' কাপ। মর্নিং ওয়াকে যাওয়ার তোড়জোড় সেরে চা নিয়ে ঘরে আসেন। আজকাল লাবণ্যর উঠতে একটু দেরি হয়। অমিতের হাতের এক কাপ চা খেয়ে তিনি দিন শুরু করেন। অমিতের রিটায়ারমেন্টের পরের দিন থেকে এই রুটিন চলছে। আগে ছিল উল্টোটা। অমিতের অফিসে বেরনোর তাড়া থাকত। অনেক সকালে উঠতে হতো লাবণ্যকে। তখন নাতিটাও ছোট। বউমা একা অর্কর দুষ্টুমির সঙ্গে পেরে উঠত না। ছেলে রজতের কলেজে বেরনো থাকত একই সময়ে। সব মিলিয়ে বেশ জটিল পরিস্থিতি হতো সংসারে। সবটা একা হাতে সামলাত লাবণ্য, এক্কেবারে ম্যাজিশিয়ানের মতো। বউমা স্বাতী লাবণ্যর নাম দিয়েছিল দশভুজা।
এমন সাত পাঁচ পুরনো কথা ভাবতে ভাবতে চায়ের কাপ হাতে খাটের পাশে দাঁড়াল অমিত। জানলার ফাঁক দিয়ে ভোরের মায়াবী আলো এসে পড়েছে লাবণ্যর মুখে। দু'চারটে চুল কি পেকেছে ওর? প্রায় পঞ্চাশ বছর কেটে গেল একসঙ্গে।
ফেব্রুয়ারিতেই তো বিয়ে হয়েছিল তাদের। চোদ্দো তারিখে। এবার ওই দিনটায় লাবণ্যকে গয়না কিনে দেবে ঠিক করল অমিত আর এই সব চুপিচুপি অনলাইন কেনাকাটার ব্যাপারে নাতি অর্কই অমিতের একমাত্র ভরসা। কিন্তু সোনার গয়না কি পাওয়া যাবে অনলাইনে?
ব্রেকফাস্ট খেতে খেতে অর্কর সঙ্গে গলা নামিয়ে কথা হচ্ছিল অমিতের।
সব শুনে উত্তেজিত অর্ক, 'আরে ফাটিয়ে দিয়েছ তো দাদাই। চোদ্দো, মানে ফোরটিন্থ অফ ফেব্রুয়ারি তোমাদের বিয়ের দিন? ভ্যালেনটাইন্স ডে'তে বিয়ে করেছিলে তোমরা? তাই তোমাদের এত প্রেম।'
'আস্তে বলো দাদাই, ঠাম্মা শুনে ফেলবে' বলল অমিত।
লাবণ্যর নজরে পড়েছিল ব্যাপারটা। বললেন, 'দাদু নাতিতে কী নিয়ে গুজুরগুজুর চলছে রে। আবার কিছু আবোলতাবোল শপিং নাকি?'
অর্ক চুপিচুপি বলল, 'ডোন্ট ওরি দাদাই। পি সি চন্দ্র জুয়েলার্স -এর অনলাইন স্টোর আছে। ইন ফ্যাক্ট আমিও ঝিমলির জন্য একটা ভ্যালেন্টাইন্স গিফট কিনব। সন্ধেবেলা ফিরে তুমি আমি বসে যাব ল্যাপটপ নিয়ে।'
অবাক চোখে অমিত বললেন, 'কী বলছিস রে, পি সি চন্দ্র জুয়েলার্স-এর অনলাইন স্টোর আছে! ঘরে বসেই সোনার গয়না কিনতে পারব? তাহলে তো আর কোনও চিন্তাই রইল না। পি সি চন্দ্র জুয়েলার্সের ওপর আমার অগাধ আস্থা। আজ একটু তাড়াতাড়ি ফিরিস দাদাই।'
নাতি ফিরতেই অমিত গিয়ে ঢুকলেন ওর ঘরে। গলা তুলে বললেন, 'আমার চা জলখাবার অর্কর ঘরেই পাঠিও স্বাতী।'
দাদু নাতি একসঙ্গে বসে ভালবাসার মানুষের জন্য গয়না বাছাই করছেন পি সি চন্দ্র জুয়েলার্স অনলাইন স্টোর থেকে! এ এক বিরল দৃশ্য। 'কত্তো ডিজাইন রে। আমি তো পাজলড হয়ে যাচ্ছি' বললেন অমিত।
'আমার মতো তোমার তো বাজেটের ব্যাপার নেই দাদাই। তুমি নেকপিসগুলো দেখতে থাকো। যেটা যেটা ভাল লাগছে শর্ট লিস্ট করো। আমিও আমার বাজেট দেখে তাই করছি।'
'হাঁসের মোটিফে তৈরি পেন্ডেন্ট চেনটা দেখে প্রায় লাফিয়ে উঠলেন অমিত। বলল 'দ্যাখ দাদাই কী অপূর্ব। এটা তোর ঠাম্মার পছন্দ হবেই। সবুজ পাথরের ডানা লাল পাথরের চোখ-কী আর্টিস্টিক।'
মুগ্ধ অর্কও। 'সত্যিই দারুণ। ইনফ্যাক্ট পি সি চন্দ্র জুয়েলার্সের অনলাইন স্টোরে যে সবরকম বাজেটে ইউনিক ডিজাইনের জুয়েলারি পাওয়া যায়, তার খোঁজটা আমাকে ঝিমলিই দিয়েছে।'
দ্যাখ তো দাদাই এই হার্টশেপের পেন্ডেন্টটা কেমন লাগছে? ঝিমলির পছন্দ হবে?
'ওহ দাদাই, ইউ আর গ্রেট। হার্টের মাঝে রেড স্টোন। আমেজিং।' এটাই কিনব আমি আমার সুইটির জন্য।
'না দাদাই আমি এটা কিনব আমার সুইট হার্ট ঝিমলির জন্য। ভাবী নাতবউকে প্রেম নিবেদন করব এটা দিয়ে।'
হো হো করে হাসতে হাসতে অর্ক বলল, 'তাহলে বরং একটা আংটি দিয়ে বিয়েটা ফাইনাল করে ফেলি দাদাই। কী বলো?'
হাসিমজার ফাঁকেই অর্ডার প্লেস করল দুজনে। দিন কয়েকের মধ্যেই বাড়িতে ডেলিভারি হবে পি সি চন্দ্র জুয়েলার্স-এর এক্সক্লুসিভ গয়না।
দাদু নাতির এই একসঙ্গে বসে ভ্যালেন্টাইন্স ডে'র গয়না কেনার ঘটনা শুনে পি সি চন্দ্র জুয়েলার্সের অন্যতম ম্যানেজিং ডিরেক্টর শুভ্র চন্দ্র খুব খুশি। বললেন, 'এটাই তো আমাদের ইউএসপি। পি সি চন্দ্র জুয়েলার্সের ওপর এই যে ভরসা বিশ্বাসের পারিবারিক পরম্পরা, এটাই আমাদের অন্য স্বর্ণপ্রতিষ্ঠানের থেকে আলাদা করেছে। শুধু শোরুম নয়, আমাদের অনলাইন স্টোরের ওপর ক্রেতাদের এই আস্থা দেখে আমরা অনুপ্রাণিত হয়েছি। তাই পি সি চন্দ্র জুয়েলার্স অনলাইন স্টোরের ভ্যালেন্টাইন্স ডে কালেকশনে এসেছে অফুরন্ত ডিজাইন। ঘরে বসে গয়না কেনার এমন সুযোগ দিতে পেরে আমরাও আনন্দিত।'
যদি ভালবাসার দিনে ভালবাসার মানুষকে সুন্দর সুন্দর উপহার দিতে চান তাহলে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে http://www.pcchandraindia.com/