
কুমড়োর ভর্তা - ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 29 March 2024 17:45
বাইরে প্রখর রোদ সঙ্গে পারদও চড়ছে হনহনিয়ে। বাইরে বেরলে বোঝা যাচ্ছে সাংঘাতিক গরমের দিন প্রায় আসন্ন। এই সময় যেন মন চায় সারাক্ষণই ঠান্ডা খাবার। খুব বেশি ভারী কিছু খাওয়া দাওয়া করতে যেন ইচ্ছে করে না। পাতলা করে একটু ডাল, একটু তরকারি আর গন্ধরাজ লেবু হলেই খেয়ে শান্তি। আবার একই ধরনের খাবারও রোজ খেতে ভাল লাগে না এই গরমে। তাই আপনাদের জন্য রইল এক দারুন রান্না। অসাধারণ এই সহজ ও সুস্বাদু রান্নার রেসিপি দিয়েছেন সীমা দাসগুপ্ত।
বাচ্চা থেকে বুড়ো যে কেউ এই রেসিপি একবার খেলে বারবার খেতে চাইবে। চলুন জেনে নিই কীভাবে বানাবেন রসুন পেঁয়াজ দিয়ে কুমড়োর ভর্তা।
•উপকরণ
উপকরণ হিসেবে দরকার টাটকা কুমড়ো, ৭-৮ টা রসুনের কোয়া, একটা মাঝারি সাইজের পেঁয়াজ, ৩-৪ টে কাঁচালঙ্কা, কালোজিরে, সর্ষের তেল, নুন, হলুদ, চিনি, গোলমরিচ গুঁড়ো, বেশ খানিকটা ধনেপাতা কুঁচি।
•পদ্ধতি
প্রথমেই কুমড়োটা দুভাগ করে কেটে খোসা ছাড়িয়ে নিন। তারপর ছোট ছোট টুকরো করে নিন। এবার কুমড়োটা ভাল করে ধুয়ে কড়াইতে পরিমাণমতো জল এবং একটু নুন দিয়ে সেদ্ধ করতে দিন। যতক্ষণ কুমড়োটা সেদ্ধ হচ্ছে ততক্ষণে রসুন, পেঁয়াজ, কাঁচালঙ্কা এবং ধনেপাতা একদম মিহি করে কেটে নিন। কুমড়োটা বেশি সেদ্ধ করবেন না যাতে একেবারেই গলে না যায়। ১০ মিনিট মতো বেশি আঁচে সেদ্ধ করে গ্যাস বন্ধ করে ঢেকে রাখুন আরও ৫ মিনিট।
এবার কড়াইটা পরিষ্কার করে তাতে বেশ খানিকটা সর্ষের তেল গরম করুন। ফোড়ন দিন কালো জিরে, কাঁচালঙ্কা কুঁচি আর রসুন কুঁচি। ভালমতো নাড়াচাড়া করুন। এবার তাতে দিয়ে দিন ঝিরি করে কেটে রাখা পেঁয়াজ। আবারও কিছুক্ষণ ভাজা ভাজা করে নিন। তারপর কুমড়ো সেদ্ধটা একটা চামচ দিয়ে
ভাল করে পেস্ট করে নিয়ে সেটা ওই মশলার মধ্যে যোগ করে দিন। এইসময়ে দিয়ে দিন পরিমাণমতো নুন, অল্প চিনি, একটু হলুদ গুঁড়ো, আর আধ চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো। সবটা এবার একসঙ্গে ভালকরে মিশিয়ে নিন। এবার আঁচ কমিয়ে ঢাকা দিয়ে দিয়ে কষান দেখবেন সবটা মিশে গিয়ে খুব সুন্দর একটা গন্ধ বেরিয়েছে।
কুমড়োর রংটা বাদামি হয়ে এলে ধনেপাতা কুঁচি উপর দিয়ে ছড়িয়ে গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন। গরমের দুপুরে জমিয়ে খান রসুন পেঁয়াজ দিয়ে কুমড়োর ভর্তা।
সীমা দাসগুপ্তের শখ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন রান্না নিয়ে পরীক্ষা-নীরিক্ষা চালিয়ে নতুন নতুন পদ তৈরি করা।