Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: পয়লা ওভারেই ৩ উইকেট, স্বপ্নের আইপিএল অভিষেক! কে এই প্রফুল্ল হিঙ্গে?ইরান-মার্কিন বৈঠক ব্যর্থ নেতানিয়াহুর ফোনে! ট্রাম্পের প্রতিনিধিকে কী এমন বলেছিলেন, খোলসা করলেন নিজেইWeather: পয়লা বৈশাখে ঘামঝরা আবহাওয়া! দক্ষিণবঙ্গে তাপপ্রবাহের হলুদ সতর্কতা, আবার কবে বৃষ্টি?হরমুজ ঘিরে ফেলল মার্কিন সেনা! ইরানের 'শ্বাসরোধ' করতে ঝুঁকির মুখে আমেরিকাও, চাপে বিশ্ব অর্থনীতি'ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ করা যাবে না', আইপ্যাক ডিরেক্টরের গ্রেফতারিতে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি অভিষেকেরভোটের মুখে ইডির বড় পদক্ষেপ! কয়লা পাচার মামলায় গ্রেফতার আইপ্যাক ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেলমহাকাশে হবে ক্যানসারের চিকিৎসা! ল্যাবের সরঞ্জাম নিয়ে পাড়ি দিল নাসার ‘সিগনাস এক্সএল’সঞ্জু-রোহিতদের পেছনে ফেলে শীর্ষে অভিষেক! রেকর্ড গড়েও কেন মন খারাপ হায়দ্রাবাদ শিবিরের?আইপিএল ২০২৬-এর সূচিতে হঠাৎ বদল! নির্বাচনের কারণে এই ম্যাচের ভেন্যু বদলে দিল বিসিসিআইWest Bengal Election 2026 | হার-জিত ভাবিনা, তামান্না তো ফিরবেনা!

দ্রুত ৬জি পরিষেবা চালু হতে পারে দেশে, ১০৪ প্রকল্পে ২৭১ কোটি টাকা বরাদ্দ কেন্দ্রের

দেশে দ্রুত ৬জি পরিষেবা চালুর লক্ষ্যে ১০৪টি টেলিকম গবেষণা প্রকল্পে ২৭১ কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্র।
ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তি উন্নয়ন ও ভবিষ্যতের দ্রুত ইন্টারনেট পরিষেবা গড়তে জোর দিচ্ছে সরকার।

দ্রুত ৬জি পরিষেবা চালু হতে পারে দেশে, ১০৪ প্রকল্পে ২৭১ কোটি টাকা বরাদ্দ কেন্দ্রের

৬জি পরিষেবা

গার্গী দাস

শেষ আপডেট: 14 March 2026 11:02

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভবিষ্যতের টেলিকম প্রযুক্তি (Telecom Technology) দখলের লড়াইয়ে গতি বাড়াচ্ছে ভারত। ৫জি-র পর এবার ৬জি-র (6G) দৌড়ে সামিল। দেশে দ্রুত ৬জি পরিষেবা চালুর লক্ষ্যে গবেষণা ও উদ্ভাবনে বড় বিনিয়োগ করতে চলেছে কেন্দ্র। টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী (Minister of State for Communications) পেম্মাসানি চন্দ্রশেখর (Pemmasani Chandra Sekhar) জানিয়েছেন, নতুন প্রজন্মের টেলিকম প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে ১০৪টি প্রকল্পে মোট ২৭১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

এই অর্থ দেওয়া হচ্ছে টেলিকম টেকনোলজি ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (Telecom Technology Development Fund বা TTDF) থেকে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান (Research Institution), স্টার্টআপ (Startup) এবং শিল্পক্ষেত্রের বিভিন্ন সংস্থাকে এই প্রকল্পের মাধ্যমে সহায়তা করা হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য, ভবিষ্যতে টেলিকম দুনিয়ায় কোনও দেশকে অনুসরণ করার পরিবর্তে নেতৃত্ব দেওয়া।

‘ভারত ৬জি ভিশন’ (Bharat 6G Vision) নথি এই লক্ষ্য সামনে রেখেই প্রকাশ করা হয়েছে সম্প্রতি। এই নথিতে দেশের ৬জি পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। গবেষণা ও উন্নয়ন (Research and Development বা R&D), নতুন উদ্ভাবন কেন্দ্র (Innovation Hub) তৈরি এবং ভবিষ্যতের নেটওয়ার্ক স্থাপনের রূপরেখা এতে উল্লেখ রয়েছে।

সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হল দেশীয় প্রযুক্তি (Homegrown Technology) তৈরি করা। যাতে আন্তর্জাতিক বড় টেলিকম সংস্থার উপর নির্ভরশীলতা কমানো যায় এবং ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ে।

৬জি পরিষেবার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে স্পেকট্রাম ব্যবহারের একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ (Spectrum Roadmap) তৈরি করা হচ্ছে। এই পরিকল্পনায় আগামী দশকের জন্য তিনটি ধাপে স্পেকট্রাম বরাদ্দের পরিকল্পনা রাখা হয়েছে। স্বল্পমেয়াদি পর্যায় ২০২৫–২০২৬, মধ্যমেয়াদী পর্যায় ২০২৭–২০৩০ এবং দীর্ঘমেয়াদি পর্যায় ২০৩১–২০৩৫।

এই ধাপে ধাপে পরিকল্পনার ফলে গবেষক ও প্রযুক্তিবিদরা আগামী বছরগুলিতে ধীরে ধীরে উন্নত ৬জি প্রযুক্তি পরীক্ষার সুযোগ পাবেন। এই কাঠামো তৈরি করা হয়েছে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থা (International Telecommunication Union বা ITU)-র গবেষণা ও নির্দেশিকার ভিত্তিতে।

অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia) সম্প্রতি মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে (Mobile World Congress) বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, '৬জি প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ভারত দ্রুত এগোচ্ছে। ৬জি চালুর ক্ষেত্রে প্রথম সারিতে যেসব দেশ থাকবে, তাতে ভারতের নামও দেখা যাবে।'

এর ঠিক আগে নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেসে (India Mobile Congress) ঘোষণা করেছিলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ৬জি পরিষেবা চালুর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ৬জি প্রযুক্তি চালু হলে ইন্টারনেটের গতি (Internet Speed) ৫জি (5G)-র তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি হতে পারে। ফলে অতি দ্রুত ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing), রিয়েল-টাইম হোলোগ্রাম (Real-time Hologram), স্মার্ট সিটি প্রযুক্তি (Smart City Technology), স্বচালিত গাড়ি (Self-driving Vehicle) এবং উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) ব্যবস্থার বিকাশ সম্ভব হবে।


```