
বাবা মায়ের পাশে আবেগমুখর এমবাপে। মঙ্গলবার রিয়ালে যোগদানের দিনে।
শেষ আপডেট: 16 July 2024 21:50
দা ওয়াল ব্যুরো: সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের সংসারে যোগ দিলেন ফরাসি সুপারস্টার কিলিয়ান এমবাপে। এদিন স্পেনের ক্লাব দলটিকে আবেগে ভাসিয়ে দিয়েছেন কর্তা থেকে তাবড় সমর্থকরা।
ফরাসি ফরোয়ার্ড নিজ দেশের ক্লাব পিএসজি ছেড়ে এই মরশুমে নাম লিখিয়েছেন লা লিগার জায়ান্ট ক্লাবে। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর আগমনের স্মৃতি।
ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের কারণে নতুন ঠিকানায় যোগ দিতে সময় নিয়েছেন। রিয়াল সমর্থকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন। ফরাসি সুপারস্টারকে বার্নাব্যুতে স্বাগত জানান ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। তিনি বলেছেন, ‘শৈশবের স্বপ্ন পূরণের জন্য এমবাপেকে অভিনন্দন জানাই।’
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ৮০ হাজারেও বেশি ভক্তের অভ্যর্থনা পেয়েছেন এমবাপে। ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা সমর্থকদের ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়ে তাঁদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘সবাইকে শুভ সকাল জানাই। এখানে আসা আমার কাছে আশ্চর্যজনক। অনেক বছর ধরেই রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখছি। আমি আজ খুব সুখি মানুষ। খুব খুশি।’
২৫ বছর বয়সি ফরোয়ার্ড তার প্রতি আস্থা রাখার জন্য ক্লাব সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন, ‘আমি ক্লাব সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজসহ যাঁরা আমাকে এখানে আনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন, সকলকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমার পরিবারের যারা আছেন তারাও খুব খুশি। আমি মাকে দেখছি, কাঁদছেন...। এটি একটি অবিশ্বাস্য, অবিশ্বাস্য দিন। ছোটবেলা থেকেই আমার খেলার স্বপ্ন ছিল এবং মায়ের এই কান্নার অর্থ বিশাল আমার কাছে।'
এমবাপে এ সময় বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের জন্য তার সবকিছু দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি ভক্ত তরুণদের কখনও হাল না ছাড়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘আমি এখন বিশ্বের সেরা এই ক্লাবে বেঁচে থাকার আশা করি। আমি এই ক্লাব এবং এই ট্রফির জন্য আমার জীবন দিতে রাজি। আমি চাই...শিশুদের একটি বার্তা দিতে। আমার একটি স্বপ্ন ছিল। আজ আমি তা পূরণ করেছি। আমি খুব রোমাঞ্চিত। এখানে থাকাটা আমার কাছে অনেক কিছু। আমি আমার স্বপ্নের ক্লাব এবং ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ক্লাবের অংশ হতে পেরে উচ্ছ্বসিত।'
এ সময় এমবাপে পুরো স্টেডিয়ামের সমর্থকদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে ‘হালা মাদ্রিদ’ স্লোগান দেন। সেইসময় দেখা যায় কিলিয়ানের বাবা - মাও দূরে দাঁড়িয়ে চোখের জল ফেলে যাচ্ছেন।