Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
I PAC: ৫০ কোটির বেআইনি লেনদেন, আই প্যাক ডিরেক্টর ভিনেশের বিরুদ্ধে ৬ বিস্ফোরক অভিযোগ ইডিরWest Bengal Election 2026 | ‘৫০-আসন জিতে তৃণমূলকে ১৫০-আসনে হারাব’ মাতৃত্বের দুশ্চিন্তা, ‘ভাল মা’ হওয়ার প্রশ্ন—সদগুরুর পরামর্শে স্বস্তি পেলেন আলিয়ালক্ষ্য ২০২৯ লোকসভা ভোট, তড়িঘড়ি মহিলা সংরক্ষণ কার্যকরে মরিয়া মোদী! বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি কংগ্রেস?Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ‘অপরাজিত’, এক নম্বর ঘরোয়া লিগেও! কোন মন্ত্রে অপ্রতিরোধ্য লিভারপুল

স্লটের অশ্বমেধের ঘোড়াটি যেভাবে ছুটছে, তাতে প্রিমিয়ার লিগ তো বটেই, আগামী দিনে চ্যাম্পিয়নস লিগও নিজেদের ট্রফি ক্যাবিনেট তুলতে চলেছে লিভারপুল (Arne Slot-Liverpool )।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ‘অপরাজিত’, এক নম্বর ঘরোয়া লিগেও! কোন মন্ত্রে অপ্রতিরোধ্য লিভারপুল

লিভারপুল

শেষ আপডেট: 14 January 2025 18:00

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফুটবলে ‘পালাবদল’ বেশ ওজনদার শব্দ। যেন তুলাযন্ত্রের এদিক-ওদিক। পুরোনোর নিষ্ক্রমণ কখনও সৃষ্টি করে অপরিমেয় শূন্যতা, যা ভরাট করতে কয়েক দশক লেগে যায়। আবার কখনও কখনও দায়িত্ব ছেড়ে যাওয়া মালিটি রেখে যান সাজানো বাগান। সেখানে নতুন কেউ এসে একটু-আধটু জল সেঁচে, সার দিয়ে ফুলে-ফলে ভরে থাকা বাগানটিকে আরও সুসজ্জিত, আরও সারবান করে তোলেন। 

বিশ্ব ফুটবলের নিক্তিতে মাপলে এই ‘উদ্যান-উপমা’ দুটি ক্লাবের ক্ষেত্রে খাপেখাপ মিলে যায়—ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড এবং লিভারপুল। একদিকে অ্যালেক্স ফার্গুসনের চলে যাওয়া (২০১৩) তৈরি করেছে গভীর ক্ষত, যার নিরাময় এখনও পর্যন্ত করে উঠতে পারল না ওয়েন রুনি, রয় কিন, ডেভিড বেকহ্যামদের ক্লাব। 

অন্যদিকে লিভারপুল। ন'বছর কাটিয়ে য়ুর্গেন ক্লপ দায়িত্ব ছাড়ার পরেও (২০২৪) ক্লাবটির কোনও ছন্দপতন তো হয়ইনি, উলটে আরও তীক্ষ্ণ, আরও মজবুত দেখাচ্ছে মহম্মদ সালাহদের। আপাতত প্রিমিয়ার লিগ, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এক নম্বর ক্লাব লিভারপুল। লিগে কাপের সেমিফাইনালে উঠেছে তারা। দু'দিন আগে এফএ কাপে অ্যাক্রিংটন স্ট্যানলিকে দুরমুশ করে উঠেছে তৃতীয় রাউন্ডে।

এতকিছুর আড়ালে রয়েছেন যিনি, তিনি জন্মসূত্রে ডাচ। নাম আর্নে স্লট। গত সিজনেই ক্লপের উত্তরসূরী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা হয়৷ হেভিওয়েট কোচের শূন্যস্থান আরেক হেভিওয়েট কোচই পূরণ করবেন—এমনটা যখন ভেবে নেওয়া হয়েছিল, তখন সর্বার্থে আনকোরা, অপরিচিত এই ম্যানেজারকে বেছে নেওয়াটা লিভারপুল সমর্থক ও ফুটবল বিশেষজ্ঞদের বেজায় বিচলিত ও বিস্মিত করেছিল। কিন্তু অবিশ্বাসীদের ইতিমধ্যে ভুল প্রমাণিত করেছেন তিনি। মরশুম এখনও শেষ হয়নি ঠিকই। আগে থেকে কোনও কিছুর পরিণাম ঘোষণাও ব্যুমেরাং হতে পারে। তবু স্লটের অশ্বমেধের ঘোড়াটি যেভাবে ছুটছে, তাতে প্রিমিয়ার লিগ তো বটেই, আগামী দিনে চ্যাম্পিয়নস লিগও নিজেদের ট্রফি ক্যাবিনেট তুলতে চলেছে লিভারপুল। 

কিন্তু ঠিক কোন যাদুমন্ত্রে কুর্সিতে বসেই এত অল্পদিনে ভোল পালটে দিলেন স্লট? য়ুর্গেন ক্লপের ছেড়ে যাওয়া মুকুট মাথায় তুলেও কীভাবে এতটা নিরুত্তাপে, একপ্রকার লোকচক্ষুর আড়ালেই ভরিয়ে দিলেন লিভারপুলের সাজানো বাগান? 

প্রথমত, ‘যে সমস্যা আদৌ নেই, তার সমাধান খুঁজতে যাওয়াটা বাতুলতা’—ইংরেজি প্রবাদের ফলিত প্রয়োগ করেছেন স্লট। অর্থাৎ, ক্লপ যে-সিস্টেমে খেলাতেন, যে-সিস্টেমে শূন্য থেকে শুরু করে আস্ত একটা সাম্রাজ্য বানিয়েছেন জার্মান ম্যানেজার, তার খোলনলচে আমূল বদলে দেওয়ার রাস্তাতে হাঁটেননি নবাগত ডাচ কোচ। ঠিক কোন ধারা মেনে খেলত ক্লপের লিভারপুল?

ইংল্যান্ডে আসার আগে য়ুর্গেন ক্লপের তত্ত্বাবধানে বুন্দেশলিগায় বরুসিয়া ডর্টমুন্ড খেলত ‘গেগেনপ্রেসিং’ স্টাইলে। জার্মান শব্দ। সহজ বাংলায় বললে, মাঠের যে-কোনও প্রান্তে বলের পজেশন খোয়ানো মাত্র ডিফেন্সের খোলসে ঢুকে না গিয়ে অতি দ্রুত পজেশন ফিরে পাওয়ার কৌশল হচ্ছে ‘গেগেনপ্রেসিং’। ইংরেজিতে যার মর্মার্থ—‘কাউন্টারিং দ্য কাউন্টার’ বা ‘কাউন্টার-প্রেসিং’। স্বভাবতই স্কিলের পাশাপাশি এর জন্য প্রয়োজন ক্ষিপ্র গতি, অটুট সংঘবদ্ধতা, অখণ্ড মনোযোগ আর ভরপুর প্রাণশক্তি। ডর্টমুন্ডে এই স্টাইলের প্রয়োগ সফল হলেও ব্রিটিশ ফুটবলের জলহাওয়া মেপে ক্লপ গেগেনপ্রেসিং-কে কাটছাঁট করে ক্ষুরধার ‘কাউন্টার অ্যাটাক’-ধর্মী করে তোলেন। নিজেই, ঈষৎ মজার সুরে, সুরের জগৎ থেকে ধার করে এই নতুন রীতির নাম রাখেন ‘হেভি-মেটাল ফুটবল’।

য়ুর্গেন ক্লপ ও আর্নে স্লট

স্লট এসে এই ধাঁচা থেকে গ্রহণ করেন ‘আগ্রাসনে'র মেজাজ। বর্জন করেন ‘অতিরিক্ত ঝুঁকি নেওয়া’র মানসিকতা। জোর দেন পজেশন কন্ট্রোলে। কাজে লাগান দুই সেন্টারব্যাক এমনকী গোলরক্ষকেও! আর এর জন্য তিনি ঋণী মার্সেইয়ের বর্তমান ইতালীয় ম্যানেজার রবার্তো ডি জের্বির কাছে। ডি জের্বির দল বিপক্ষের প্রেসিং ভেদ করে খেলার জন্য বিখ্যাত। তাঁর তত্ত্ব মতে: কখনও গোলরক্ষক, কখনও দুই ডিফেন্ডার পায়ে বল রাখবে। পাস দেবে না, শুধুমাত্র পায়ে ধরে রাখবে। বিপক্ষ টিমের আক্রমণে থাকা প্লেয়াররা স্বভাবতই সেটা দেখে এগিয়ে এসে ‘ক্লোজ ডাউন’ করতে চাইবে। আর ঠিক তক্ষুনি মাঝমাঠে তৈরি হওয়া শূন্যতাকে কাজে লাগিয়ে তৈরি হবে অ্যাটাক। স্লটও একই কায়দায় অল্প দিনে প্রশিক্ষিত করে তুলেছেন গোলরক্ষক অ্যালিসন এবং দুই ডিফেন্ডার ভ্যান ডাইক ও ইব্রাহিম কোনাটেকে। হিসেব বলছে, এখনও পর্যন্ত লিগে নিজেদের ডিফেন্সিভ থার্ডে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পাস খেলেছে যে দল, তার নাম লিভারপুল।

ক্লপের গেগেনপ্রেসিং

দ্বিতীয় যে বদলটা তিনি ঘটিয়েছেন, সেটা টিম সেট আপে। ক্লপ দল সাজাতেন ৪-৩-৩ ফর্মেশনে৷ কাউন্টার প্রেসিং স্টাইলে আক্রমণে যেত তাঁর টিম। ফাইনাল থার্ডে বিপক্ষের নাভিশ্বাস তুলত। বল পজেশন খোয়ানোমাত্র দখল নিতেন মহম্মদ সালাহ, সাদিও মানে, লুইজ দিয়াজরা। তারপর ডিফেন্স-চেরা একটা-দুটো পাসে খুলে যেত গোলের দরজা। 

স্লট এই ‘অতিরিক্ত জটলা'য় বিশ্বাসী নন। তিনি ৪-৩-৩-কে বদলে করলেন ৪-২-৩-১। মাঝমাঠে ডবল ইঞ্জিন: ডাচ মিডফিল্ডার রায়ান গ্রেভানবার্চ এবং আর্জেন্টিনীয় অ্যালেক্সিস ম্যাকালেস্টার। গেগেনপ্রেসিং ছেড়ে দলকে খেলতে শেখালেন আরও বেশি ‘নিয়ন্ত্রিত’ ফুটবল। সমতা আনলেন ‘টেম্পো'য়। ডিফেন্ডারকে দিলেন কড়া নির্দেশ: ঝুঁকিপূর্ণ লং বল বাড়ানোর দরকার নেই। আমরা বল পায়ে রাখব। পজেশনে জোর দেব। ধীরে ধীরে আক্রমণ তৈরি করব। তারপর মাঝমাঠ পেরোনোমাত্র ‘টেম্পো’ বদলে ফেলব—হঠাৎ করে দ্রুততার সঙ্গে বাড়িয়ে ফেলব আক্রমণের ঝাঁজ। 

হেভি প্রেসিংয়ের বদলে পজেশনাল নিয়ন্ত্রণ 

কিন্তু এর জন্য জরুরি এমন কাউকে যে কিনা মাঝমাঠে যুদ্ধক্ষেত্রের মার্শালের মতো সবকিছু নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব তুলে নেবে। স্লট এর জন্য বেছে নিলেন গ্রেভেনবার্চকে। মাত্র বাইশ বছর বয়স। অথচ এরই মধ্যে অসাধারণ পরিণতি দেখিয়েছেন এই তরুণ মিডফিল্ডার। গত মরশুমে ক্লপ তাঁকে আরও বেশি ওপরে (নাম্বার এইট পজিশন) খেলিয়েছিলেন। স্লট তাঁকে দিলেন নাম্বার সিক্সের দায়িত্ব। অর্থাৎ, সেন্টার সার্কেলের চারপাশকে সুরক্ষিত রাখা। এর ফলে দুই মিডফিল্ড ইঞ্জিনের মধ্যে তালমিল রাখা সহজ হল। আরেক মাঝমাঠের প্লেয়ার ম্যাকালিস্টার পেলেন ‘ফ্রি রোল’। তিনি প্রয়োজন বুঝে সঙ্গত দিলেন ডারউইন নুনেজ, লুইজ দিয়াজদের। ফলে কোনও ঝুঁকি ছাড়াই একদিকে যেমন রক্ষণের সুস্থিতি রক্ষা হল, অন্যদিকে আক্রমণ পেল নতুন গতি, নতুন ছন্দ৷

এর পাশাপাশি ক্লপের জমানার শেষ পর্বের একটি ‘সমস্যা’কে ‘তুরুপের তাসে’ পরিণত করেছেন স্লট। সেই ‘সমস্যা’র নাম ট্রেন্ট আলেকজান্ডার আর্নল্ড। সম্ভবত পরের মরশুমে রিয়াল মাদ্রিদে চলে যাবেন ইংল্যান্ডের রাইটব্যাকটি। কিন্তু ইতিমধ্যে স্লটের হাতে যেন নবজন্ম ঘটেছে আর্নল্ডের। তাঁর খেলার শক্তি হচ্ছে আক্রমণ, দুর্বলতা রক্ষণ৷ অথচ ফুলব্যাকে খেলতে হলে এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য থাকা জরুরি। ট্রেন্টের ক্রসিং, লং পাস বাড়ানোর ক্ষমতা, ‘সুইচ অফ প্লে’ এত মোক্ষম, এতটাই অব্যর্থ যে, ক্লপ চাইলেও তাকে দলের বাইরে রাখতে পারতেন না। আবার ডিফেন্ডিংয়ে দুর্বলতা এতটাই প্রকট যে ট্রেন্টের একার ভুলে অনেক নিশ্চিত জয় হাতছাড়া করেছে লিভারপুল। বাধ্য হয়ে শেষের দিকে তাকে রাইট ব্যাকের বদলে রাইট উইংয়ে খেলানোর সিদ্ধান্ত নেন ক্লপ। 

স্লট এসে এই দর্শনটা বদলে দিলেন। তিনি ট্রেন্টকে নির্দেশ দিলেন: ‘অফ দ্য বল’ (বল যখন বিপক্ষ টিমের পায়ে) তুমি রাইটব্যাকেই থাকো। কিন্তু ‘উইথ দ্য বল’ (বল যখন লিভারপুলের নিয়ন্ত্রণে) তখন তুমি চলে এসো মাঝমাঠে। ফুলব্যাক নিয়ে এই নিরীক্ষার জন্মদাতা পেপ গোয়ার্দিওলা। তাঁর দলের রাইট ব্যাক কাইল ওয়াকারকেও তিনি মিডফিল্ডে সরে আসার নির্দেশ দিয়ে থাকেন। এই নয়া ঘরানার নাম হচ্ছে ‘হাইব্রিড ফুলব্যাক পজিশন’। ট্রেন আর্নল্ডের ক্ষুরধার পাসিংয়ের শক্তি, বিশেষত, লং বল বাড়ানোর দক্ষতা লিভারপুলের মাঝমাঠকে আলাদা ‘ফ্লেভার’ এনে দিয়েছে।

বিপক্ষ দলকে আক্রমণে আসতে প্রলুব্ধ করছে লিভারপুল ডিফেন্স 

ডিফেন্স ও মিডফিল্ড যখন পোক্ত, তখন স্বভাবতই দু'হাত ভরে ফসল তুলবেন অ্যাটাকাররা। আদতে হচ্ছেও তাই। বিশেষ করে মহম্মদ সালাহ। চুক্তি নিয়ে এখনও দোলাচলে রয়েছেন ‘ইজিপশিয়ান কিং’। অথচ মাঠের বাইরের ডামাডোলের ছিটেফোঁটা ছাপ পারফরম্যান্সে পড়তে দেননি তিনি। চলতি সিজনে প্রিমিয়ার লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা, সর্বাধিক অ্যাসিস্ট বাড়ানোর রেকর্ড রয়েছে তাঁরই নামে। সালাহর তুখোড় ফর্মের দৌলতে ডারউইন নুনেজ, কোডি গ্যাকপো, লুইজ দিয়াজরাও ছন্দে ফিরেছেন।

রক্ষণ আর আক্রমণের ভরপুর ছন্দোবদ্ধতায় প্রাণের আনন্দে গোল করছে লিভারপুল, গোল খাচ্ছে হাতেগোনা, ক্লিনশিট রাখছেন অ্যালিসন আর প্রেস কনফারেন্সে চওড়া হাসি হেসেই চলেছেন আর্নে স্লট। রাজার মুকুট পরার চেয়েও সেটা ধরে রাখা আরও কঠিন—এই বহুপ্রচলিত প্রবাদ যেন তুড়ি মেরে ভুল প্রমাণ করেছেন তিনি। ইতিমধ্যে প্রিমিয়ার লিগ রেসের বাইরে পেপ গোয়ার্দিওলার ম্যান সিটি। মিকেল আর্টেটার আর্সেনালও খেই হারিয়ে ফেলেছে। ছিটকে গেছে চেলসি। ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড তো যোজন যোজন দূরে।

সব মিলিয়ে বিলক্ষণ চাপমুক্ত স্লট। ক্লপের ছেড়ে যাওয়া মুকুটটিও সযত্নে ক্যবিনেটে সরিয়ে রেখেছেন তিনি। আপাতত নতুন সাফল্যের খোঁজে রয়েছেন লিভারপুলের চাণক্য। য়ুর্গেন ক্লপের তাজের ভার কোনওমতেই নিতে চান না লিভারপুলের বেতাজ বাদশা আর্নে স্লট।


```