
জয়ের পর ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের উচ্ছ্বাস
শেষ আপডেট: 22 February 2025 19:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শেষ হল ইস্টবেঙ্গল এফসি বনাম পঞ্জাব এফসি-র হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। এই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল ৩-১ গোলে জয়লাভ করেছে। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে একটি করে গোল করলেন দিমিত্রিয়স দিয়ামান্তাকোস, নাওরেম মহেশ সিং এবং লাল চুনুঙ্গা। পঞ্জাবের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন পুলগা ভিদাল। সবথেকে বড় কথা, এই জয়ের পাশাপাশি ২১ ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে ইস্টবেঙ্গল লিগ টেবিলের দশম স্থানে উঠে এসেছে। এই মরশুমে সপ্তম জয়লাভ করল। ইতিপূর্বে, কখনও তারা এক মরশুমে এতগুলো ম্যাচ জিততে পারেনি। এই কৃতিত্ব যে অবশ্যই অস্কারের প্রাপ্য, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।
ম্যাচের ১৪ মিনিটে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে প্রথম গোলটি করেছিলেন দিমিত্রিয়স দিয়ামান্তাকোস। বক্সের বাঁ-দিকে কঠিন একটি অ্যাঙ্গেল থেকে তাঁর বাঁ পায়ের শট লাল-হলুদ সমর্থকদের মুখে হাসি এনে দিল। তবে এই গোলের ক্ষেত্রে পঞ্জাব ডিফেন্ডার সুরেশ মেইতেই-এর কথা আলাদা করে বলতে হবে। তিনি ভুল না করলে হয়ত দিয়ামান্তাকোস গোলটা করতে পারতেন না। যে জায়গায় তিনি দাঁড়িয়ে ছিলেন, সেখান থেকে অনায়াসে বলটা ক্লিয়ার করে দিতে পারতেন। কিন্তু, বলটা নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু, শেষপর্যন্ত বলের নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারলেন না। বল দখলের লড়াইয়ে শেষপর্যন্ত দিয়ামান্তাকোস জয়ী হলেন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ফের গোল। ৪৬ মিনিটে দ্বিতীয় গোলের লিড নেয় ইস্টবেঙ্গল এফসি। দুরন্ত একটা কাট ব্যাকে বক্সের ভিতর বলটা পাঠিয়েছিলেন মেসি। লক্ষ্য ছিল পিভি বিষ্ণু। বলটাও এসেছিল বিষ্ণুর পায়েই। গোল করার চেষ্টাও করেছিলেন বিষ্ণু। কিন্তু, পঞ্জাবের গোলকিপারের সামনে তা প্রতিহত হয়। আর সেই সুযোগই খুঁজছিলেন নাওরেম মহেশ সিং। তিনি একেবারে সামনেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। সেন্টার বক্স থেকে তিনি বটম রাইট কর্নার দিয়ে বাঁ পায়ের জোরাল শট হাঁকান। সঙ্গে সঙ্গে স্টেডিয়াম জুড়ে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা উল্লাসে চিৎকার করে ওঠেন।
এরপর ইস্টবেঙ্গলের তৃতীয় গোলটা আসে। গোল করলেন ইস্টবেঙ্গলের মিজো ফুটবলার লাল চুনুঙ্গা। ৫৩ মিনিটে সেট-পিস সিচ্যুয়েশন থেকে তাঁর ডান পায়ের জোরাল শট বটম লেফট কর্নার দিয়ে পঞ্জাবের জালে জড়িয়ে যায়। এই ব্যবধান লাল-হলুদ সমর্থকদের মুখে স্বস্তির হাসি এনে দিয়েছে। তবে ৬১ মিনিটে পঞ্জাবকে কিছুটা হলেও লজ্জার হাত থেকে বাঁচালেন এজিকুয়েল ভিদাল। পেত্রোসের পা থেকে বলটা পেয়েছিলেন তিনি। সুযোগের অপব্যবহার করেননি। বক্সের ঠিক বাইরে থেকে বাঁ পায়ের হাফ-ভলিতে গোল করলেন তিনি। রেগুলেশন টাইমের পর আরও ৯ মিনিট অতিরিক্ত খেলানো হয়েছিল। ৯৯ মিনিটে মেসি বাউলি একটা গোলের সুযোগ পেলেও বলটা বক্সের অনেকটাই বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যায়।