
নেজমার বিরুদ্ধে লল দখলের লড়াই ইস্টবেঙ্গলের
শেষ আপডেট: 1 November 2024 18:06
শুক্রবার (১ নভেম্বর) মরণ-বাঁচন ম্যাচ খেলতে নেমেছিল ইস্টবেঙ্গল এফসি। চলতি এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে দাঁড়িয়ে ছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। প্রতিপক্ষ নেজমাকে হারাতে পারলেই কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট তারা কনফার্ম করতে পারত। অবশেষে স্বপ্নপূরণ হয়েছে মশাল বাহিনীর। এই ম্যাচে তারা ৩-২ গোলে জয়লাভ করেছে। তবে ম্যাচের একেবারে শেষবেলায় পরিস্থিতি যথেষ্ট গরম হয়ে ওঠে। এমনকী, বিষয়টা প্রায় হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল। আসুন, গোটা বিষয়টা বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
সত্যি কথা বলতে কী, নেজমার বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের এই লড়াই একেবারে সহজ ছিল না। বিশেষ করে ইন্ডিয়ান সুপার লিগে টানা ৬ ম্যাচ হারার পর এই দলটার আত্মবিশ্বাস একেবারে তলানিতে ঠেকেছিল। কিন্তু, এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে অস্কারের জাদুকাঠিতে সেই মৃতপ্রায় দলটাই নতুন করে জেগে উঠেছে। প্রথমে পারো এফসি-র বিরুদ্ধে ২-২ গোলে ড্র করে। বসুন্ধরা কিংসকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দেয়। আর শেষপর্যন্ত নেজমা এসসি-র বিরুদ্ধে ৩-২ গোলে জয়লাভ করল।
ম্যাচের আট মিনিটে মুসার আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। এরপর লাল-হলুদ ব্রিগেডের হয়ে বাকি দুটো গোল করলেন দিমি দিয়ামান্তাকোস। গ্রিক গোল মেশিনের এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের দৌলতে ৭৭ মিনিটেই ইস্টবেঙ্গলের জয় কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায়। কিন্তু, ম্যাচ রেফারি রেগুলেশন টাইমের পর আরও ৬ মিনিট খেলার নির্দেশ দেন।
যদিও ম্যাচের ৯৫ মিনিটে অকারণ সময় নষ্ট করার জন্য হলুদ কার্ড দেখলেন লাল-হলুদ গোলকিপার প্রভসুখন গিল। এরপর ৯৮ মিনিটে তিনি নেজমার একজন ফরোয়ার্ডকে ধাক্কা দেন। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে শুরু করে। অবশেষে ম্যাচ আধিকারিকদের হস্তক্ষেপে বিষয়টা মিটমাট করা হয়। ইস্টবেঙ্গল বক্সের মধ্যে রেফারি ড্রপ বলের নির্দেশ দেন। এরপর শুরু হয় শেষ কয়েক সেকেন্ডের খেলা। যদিও এই বিশৃঙ্খলার কোনও প্রভাব ফলাফলের উপর পড়েনি।