.webp)
ইস্টবেঙ্গলের জয়ে উচ্ছ্বসিত অস্কার
শেষ আপডেট: 1 November 2024 19:26
একটা সময় হারতে হারতে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল। টানা ৯ ম্যাচের পর বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে জিততে পেরেছিল ইস্টবেঙ্গল এফসি। আর শুক্রবার (১ নভেম্বর) সেই জয়ের ধারাই অক্ষুণ্ণ রাখল লাল-হলুদ ব্রিগেড।
এবারের আইএসএল টুর্নামেন্টে প্রথম তিনটে ম্য়াচে হারের হ্যাটট্রিকের পর দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন কার্লেস কুয়াদ্রাত। এরপর অস্কার ব্রুজোঁর হাতে দায়িত্ব তুলে দেন লাল-হলুদ কর্তারা। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর একেবারে ম্যাজিকের মতো বদলে গিয়েছে ইস্টবেঙ্গল দলের ভোল। যে দলটা ইন্ডিয়ান সুপার লিগে টানা ৬ ম্যাচ জিততে পারেনি, তারাই এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দুটো জয় এবং একটা ম্যাচ ড্র করে কোয়ার্টার ফাইনালে নাম লিখিয়ে ফেলেছে।
ইতিমধ্যে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের একাংশ তাঁকে 'নয়া ম্যাজিশিয়ন' তকমা দিয়েছেন। বলতে শুরু করেছেন যে অস্কারের কারণে এই দলটার মধ্যে জেতার একটা খিদে তৈরি হয়েছে। তবে খোদ লাল-হলুদ কোচ কিন্তু এই প্রশংসা গ্রহণ করতে একেবারে নারাজ।
নেজমা এসসি-কে হারানোর পর সাংবাদিক বৈঠক করতে এসেছিলেন অস্কার ব্রুজোঁ। তিনি বললেন, 'আমি তো সবেমাত্র কয়েকদিন এসেছি। এই দলে আমি একেবারেই নতুন। ফলে আমি যে রাতারাতি দলটার ভোল বদলে দিয়েছি, এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই। তবে এটুকু বলতে পারি যে সমর্থকদের আবেগের কারণেই আমরা আজ নকআউট পর্বে উঠতে পেরেছি। এই ম্যাচটা জিততে পেরে আমরা সত্যিই গর্বিত।'
প্রসঙ্গত, এই ম্য়াচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখতে পাওয়া যায় ইস্টবেঙ্গলকে। ৮ মিনিটে মুসার আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় তারা। এরপর ১৫ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান দিমি দিয়ামান্তাকোস। এরপর দুর্দান্ত কামব্যাক করেছিল নেজমা। তারা ১৮ (ওপারে) এবং ৪২ মিনিটে (হুসেন মনজার) গোল করে এই ম্য়াচে সমতা ফিরিয়ে আনে। অবশেষে ৭৬ মিনিটে পেনাল্টি থেকে দলের হয়ে জয়সূচক গোলটি করলেন সেই দিয়ামান্তাকোস। শেষপর্যন্ত ইস্টবেঙ্গল এই ম্য়াচে ৩-২ গোলে জয়লাভ করেছে।