ইস্টবেঙ্গলের আগের সেরা জয় ৫-০, ২০২৩ সালে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে। এবার সেই রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের শীর্ষে, পয়েন্ট টেবিলে চার নম্বরে।

মধ্যমণি এজেজ্জারি
শেষ আপডেট: 24 March 2026 16:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইন্ডিয়ান সুপার লিগের (Indian Super League) এগারো বছরের উত্থান-পতনময় ইতিহাসে অনেক বড় জয় এসেছে। কিন্তু ৭-০-র বেশি ব্যবধানে কেউ জিততে পারেনি। সিংহাসনে এতদিন একা বসেছিল এফসি গোয়া (FC Goa)। এবার তাতে ভাগ বসাল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। কলকাতা ডার্বিতে মহামেডানকে (Mohammedan SC) ৭ গোলে উড়িয়ে নজির মশালবাহিনীর।
গোয়ার ‘প্রাচীন’ রেকর্ড
২০১৫ সালের কথা। আইএসএলের একেবারে গোড়ার দিকে। সেবার মুম্বই সিটি এফসিকে (Mumbai City FC) সপ্তবাণে বিদ্ধ করেছিল এফসি গোয়া। গতরাতের আগে এটাই সর্বোচ্চ ব্যবধানের জয়। এগারো বছরে কেউ সেই রেকর্ড স্পর্শ করতে পারেনি। এবার অসম্ভবকে সম্ভব করল ইস্টবেঙ্গল।
তালিকায় আর কারা?
৭-০-র পরেই আসে ৬ গোলের ব্যবধানে জয়। সেই তালিকায় নাম একটাই—ওড়িশা (Odisha FC)। হায়দরাবাদ এফসিকে (Hyderabad FC) ২০২৪ সালে ৬ গোলে চূর্ণ করেছিল কলিঙ্গ ব্রিগেড। এর আগে ২০২২ সালে ভুক্তোভোগী হায়দরাবাদই আবার নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে (NorthEast United) ৬-১ গোলে হারিয়ে দেয়। একই দলের (হায়দরাবাদ) বিরুদ্ধে ২০২১ সালে ৬-১ গোলে হেরেছিল ওড়িশাও। অর্থাৎ, ৬ গোলের ব্যবধানে জয়-পরাজয়ের তালিকায় হায়দরাবাদের নাম বারবার হাজির।
ডার্বিতে কীভাবে এল ৭ গোল?
শেষ তিন ম্যাচে পয়েন্ট হারিয়ে চাপে ছিল ইস্টবেঙ্গল। ঠিক তখনই ডার্বির মহারণ। প্রথমার্ধেই তিন গোল—দুটো পেনাল্টি থেকে, একটি দূরপাল্লার শটে। মাঝের দিকে মহামেডানের খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখলে ম্যাচ একতরফা হয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে দশজনের টিম আরও অসহায়। একে একে গোল করেন ইউসেফ এজেজ্জারি (Youssef Ezzejjari), আনোয়ার আলি (Anwar Ali), সল ক্রেসপো (Saul Crespo), পিভি বিষ্ণু (PV Vishnu) ও নন্দ কুমার (Nandha Kumar)। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার পর স্কোরবোর্ডে জ্বলজ্বল ৭-০।
ইস্টবেঙ্গলের আগের সেরা জয় ৫-০, ২০২৩ সালে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে। এবার সেই রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের শীর্ষে, পয়েন্ট টেবিলে চার নম্বরে।