রূপম বলেন, “খাবার বাঙালির কাছে এক পবিত্র অনুভূতি। শৈশব, আচার-অনুষ্ঠান, সুখ-দুঃখ— সব কিছুর সঙ্গেই খাবারের স্মৃতি জড়িয়ে আছে। এই গান আমার কাছে ব্যক্তিগত আবেগের গল্প।”

কলকাতার বাঙালি রেস্তরাঁ কী কাণ্ড ঘটাল
শেষ আপডেট: 9 August 2025 19:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলা সংগীত ও খাবারের অনন্য মেলবন্ধনে আত্মপ্রকাশ করল ‘সপ্তপদীর গান’। কিংবদন্তি রেস্তরাঁ ‘সপ্তপদী’-র (Saptapadi Restaurant) সঙ্গে যৌথভাবে এই ব্যতিক্রমী “ফুডসিক্যাল ফিল্ম” প্রকাশ করলেন রকস্টার রূপম ইসলাম (Rupam Islam)। শুক্রবার সন্ধ্যায় বালিগঞ্জের রেস্তরাঁয় এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানে খাদ্যরসিক, শিল্পী ও সংবাদমাধ্যমের সামনে উন্মোচিত হয় চার মিনিটের এই ছবি।
রেস্তরাঁ বলছে ‘সপ্তপদীর গান’ মূলত বাংলা খাবার ও সুরের আবেগঘন গল্প। প্রথমবারের মতো রূপম ইসলাম খাবারকে কেন্দ্র করে লিখেছেন, সুর করেছেন, গেয়েছেন ও অভিনয় করেছেন। গানটিতে শোনা যাবে কষা মাংস, সর্ষে ইলিশ, আলু পোস্ত, চিংড়ি মালাইকারি, মিষ্টি দইয়ের মতো ঐতিহ্যবাহী পদগুলোর উল্লেখ।
রূপম বলেন, “খাবার বাঙালির কাছে এক পবিত্র অনুভূতি। শৈশব, আচার-অনুষ্ঠান, সুখ-দুঃখ— সব কিছুর সঙ্গেই খাবারের স্মৃতি জড়িয়ে আছে। এই গান আমার কাছে ব্যক্তিগত আবেগের গল্প।”
গানের সুরে রূপমের স্বাক্ষরধর্মী মেলোডিয়াস রক এবং বাংলার বাদ্যযন্ত্র— তবলা, হারমোনিয়াম, শাস্ত্রীয় তালের নিখুঁত মিশ্রণ রয়েছে। দৃশ্যপটে দেখা যায় রূপমকে— কখনও গাইছেন, কখনও গল্প বলছেন, আর তার সঙ্গে পর্দায় ফুটে উঠছে সপ্তপদীর রঙিন, সুগন্ধি ভরপুর পরিবেশ।
সপ্তপদী রেস্তরাঁর প্রতিষ্ঠাতাদের কথায়, “আমরা সবসময় বিশ্বাস করি, খাবার গল্প বলে। রূপমদার সঙ্গে সেই গল্প পেয়েছে গান। ‘সপ্তপদীর গান’ কোনও বিজ্ঞাপন নয় বরং বলা ভাল এটি বাঙালিয়ানার উদযাপন।”