
শেষ আপডেট: 8 December 2020 12:25
দিব্যা ভারতীয়। কিন্তু থাকেন দুবাইতে। ২০ বছর বয়সেই নামকরা বিউটি ব্লগারদের মধ্যে তিনি একজন। অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর কাজের কথা চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহল থেকে প্রশংসাও পাচ্ছেন। তার কারণ? মেকআপের মাধ্যমে ভারতের জনপ্রিয় স্ন্যাক্সের এসেন্স এভাবে হুবহু তুলে ধরতে এর আগে কখনও দেখা যায়নি।
ম্যাগি, কুড়কুড়ে, লেস, হাজমোলা এগুলোর সঙ্গে তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের বহু স্মৃতি জড়িয়ে। বিশেষ করে ম্যাগি। স্কুল, কলেজের পরীক্ষা চলাকালীন রাত জেগে পড়াশোনার সময় ক্ষিদে পেলেই তো ম্যাগি। আবার ছোটবেলায় মা, বাবার জামা ধরে বায়না করা "একটা কুড়কুড়ে, লেস কিনে দাও না"। মনে পড়ছে নিশ্চয়ই যেকোনও অনুষ্ঠান বাড়ির খাবারের শেষে থাকত হাজমোলা। দিব্যার মেকআপ দেখেই তাই নস্টালজিয়ায় ভুগছেন প্রত্যেকে।
মেকআপটাও একটা শিল্প। সমস্ত মেকআপ প্রোডাক্ট, তুলি, আইশ্যাডো প্যালেট কিনে ফেললেই যে মেকআপ আর্টিস্ট হয়ে ওঠা যায়, এটা ভাববেন না কিন্তু। সবকিছুর মতো এতেও চাই অধ্যাবসায়। চাই ধৈর্য্য। সেন্স থাকাও জরুরি। কোন রঙের সঙ্গে কোন রঙ মেশালে বেশি ভাল ফুটে উঠবে এই ধারণাটা থাকাও দরকার। একটা স্ন্যাক্সের প্যাকেটের রঙ মুখের মধ্যে ফুটিয়ে তোলা যে কতটা কঠিন, সেটা একমাত্র মেকআপ আর্টিস্টরাই বুঝতে পারছেন।
কুড়কুড়ের জন্য কমলা রঙকে ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছেন। তাই ভ্রুর উপরে, চোখের উপরে তুলি দিয়ে কমলা রঙের ডিজাইন করেছেন। আবার নীল লেসের প্যাকেট যে ভারতীয় সমস্ত মশলার সংমিশ্রণ, সেটা চোখের উপরের মেকআপে ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছেন। অন্যদিকে লক্ষ্য করে দেখুন ম্যাগি, পাসপাস, ফিফটি ফিফটি বিস্কুট, অ্যালপেনলিবে, হাজমোলা, ভুজিয়া সবগুলোর প্যাকেটের সঙ্গে দিব্যার মুখের মেকআপের মিল খুঁজে পাবেন।
এই বিষয়ে দিব্যা জানিয়েছেন, "দেশে যখন থাকতাম তখন এগুলো খেতে ভীষণ পছন্দ করতাম। বাড়িতেও জমিয়ে রাখতাম প্রচুর। কিন্তু এখানে, মানে দুবাইতে এগুলো সচরাচর পাওয়া যায় না। দু একটা দোকান ছাড়া। এগুলোর কথা মনে পড়ে বলেই মেকআপের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছি। অনেকেই প্রশংসা করেছেন। আগামী দিনে এমন কাজ আরও করার ইচ্ছে আছে।"