Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

কর্মক্ষেত্রে অত্যধিক 'ভাল ব্যবহার' বিপদ ডেকে আনতে পারে, কী করবেন? ব্যাখ্যা মনোবিজ্ঞানীর

কর্মক্ষেত্রে অত্যধিক 'ভাল ব্যবহার' বিপদ ডেকে আনতে পারে, কী করবেন? ব্যাখ্যা মনোবিজ্ঞানীর

প্রতীকী ছবি

শেষ আপডেট: 29 April 2025 14:16

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিনের অর্ধেক সময় কেটে যায় অফিস বা নিজের কাজের জায়গায়। সেখানেই সহকর্মীদের কাজের ফাঁকে সঙ্গে আড্ডা। প্রতিদিনই আমরা কিছু না কিছু শিখিও। কেউ ভালো কাজ করলে প্রশংসা পাওয়া যায়, আবার কিছু ভুল হলে তা শুধরে নতুন শেখার সুযোগ থাকে। তবে অনেক সময় কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত 'মিষ্টি' ব্যবহার করতে গিয়ে মুশকিলে পড়বেন আপনিই (Being "Too Nice" At Work Can Backfire)।   

কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের সাহায্য করা উচিৎ কিন্তু অনেক সময়েই এই সদয় আচরণ আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে! সম্প্রতি একটি পর্যবেক্ষণ সামনে এনেছেন এক মনোবিজ্ঞানী (Psychologist)। কাজের জায়গায় সহকর্মীদের সঙ্গে কেমন ব্যবহার হওয়া উচিৎ, তাও বাতলে দিলেন তিনি। 

মনোবিজ্ঞানী এবং নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক টেসা ওয়েস্ট এক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, কারও কাজের ফিডব্যাক দেওয়ার সময় অতিরিক্ত মিষ্টি কথা বা প্রশংসা কর্মক্ষেত্রে আপনার সততা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে। 

তিনি বলেন, 'একটা সময়ে নিজেরাই এই ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন হই। কারও সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অযথা হেসে (Laughing unnecessarily) দিই, অত্যধিক প্রশংসা করে ফেলি। এটি অনেক সময় অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে।' এই আচরণই পাল্টা প্রভাব ফেলতে পারে। মনোবিজ্ঞানীর কথায়, 'অস্বস্তি লুকাতে আমরা যতই বেশি ভদ্রতা দেখাতে চাই না কেন, অপর ব্যক্তি বুদ্ধিমান হলে ঠিক আমাদের সত্যিটা ধরে ফেলতে পারবেন।'

'ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে কাউকে কিছু বলার থেকে স্পষ্ট ভাষায় কথা বলা ভাল।' টেসা বলেন, 'যদি আপনি সোজা ভাষায় কাউকে বলে দেন যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কোন কাজটা ঠিক হয়েছে, কোথায় ভুল আছে, তাহলে আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে।' 

মানুষেরা তাঁদের কণ্ঠস্বরের মাধ্যমেই আবেগ তুলে ধরতে পারদর্শী। আমাদের মনে হচ্ছে, হয়তো কারও প্রশংসা করে ভাল কাজ করছি কিন্তু আদতে তা নয়। পুরোটাই মিথ্যে মনে হয়। তাই এই নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন মনোবিজ্ঞানী টেসা ওয়েস্ট।


```