
ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 28 November 2024 14:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জিয়া খান আত্মহত্যা মামলায় অভিনেতা সুরজ পাঞ্চোলিকে প্ররোচনার অভিযোগ থেকে বেকসুর খালাস করা হয়। ২০১৩ সালের ৩ জুন মুম্বইয়ের জুহুর বাসভবনে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল জিয়াকে। তাঁর মৃত্যুর পর কেটে গিয়েছে ১১ বছর। ২০২৩-এ CBI-এর বিশেষ আদালতে উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণের অভাবে বেকসুর খালাস পান সূরজ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জিয়াকে নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতার মা।
জিয়া খানের মৃতদেহের পাশ থেকে উদ্ধার হয়েছিল সুইসাইড নোট। আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে জেলও খাটতে হয় প্রেমিক সূরজকে। কিন্তু, যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ না থাকায় ২২ দিনের মধ্যেই জামিন পেয়ে যান সূরজ পাঞ্চোলি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জরিনা ওয়াহাব জানান, এই ঘটনা সূরজের কেরিয়ারকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছে।
তিনি বলেন, 'এই ঘটনার আগেও জিয়া ৪-৫ বার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। যখন আমার ছেলের সঙ্গে সম্পর্কে ছিল না, তখনও ও বেশ কয়েকবার নিজেকে আত্মঘাতী করার চেষ্টা করেছে। অর্থাৎ দেখুন, আমার ছেলের দুর্ভাগ্য যে ওর সঙ্গে থাকাকালীনই এই ঘটনাটা ঘটল। তারপর থেকেই আমার ছেলের কেরিয়ার শেষ হয়ে গিয়েছে।'
সূরজের মা আরও বলেন, '১০ বছর ধরে সূরজ এই পরিস্থিতির সঙ্গে লড়েছে। আমার মনে হয় ও এখনও লড়ে যাচ্ছে। এর শেষ কোথায়, জানা নেই। তবে আগের থেকে ওর মানসিক পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। প্রমাণ হয়ে গিয়েছে সে সূরজ নির্দোষ। কিন্তু, কেরিয়ারের ক্ষতিটা তো হয়েই গেল। সেটা ঠিক হবে কীভাবে? তাছাড়া আমি জিয়াকে নিয়ে কথা বলে নিজেকে ছোট করতে চাই না।' ২০২৩-এ সিবিআই-এর বিশেষ আদালতে সূরজের বিরুদ্ধে উপযুক্ত প্রমাণ না থাকায় তাঁকে জিয়া খানের মৃত্যুর ঘটনায় বেকসুর খালাস করা হয়।