বছরের এই সময়টা বাঙালির কাছে বরাবরই এক অদ্ভুত উত্তেজনার। বর্ষা শেষের হাওয়ায় যখন উৎসবের ঘ্রাণ ভেসে আসে, তখনই পর্দায় হাজির হয় একের পর এক নতুন গল্প।

বছরের এই সময়টা বাঙালির কাছে বরাবরই এক অদ্ভুত উত্তেজনার। বর্ষা শেষের হাওয়ায় যখন উৎসবের ঘ্রাণ ভেসে আসে, তখনই পর্দায় হাজির হয় একের পর এক নতুন গল্প।
শেষ আপডেট: 22 August 2025 14:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বছরের এই সময়টা বাঙালির কাছে বরাবরই এক অদ্ভুত উত্তেজনার। বর্ষা শেষের হাওয়ায় যখন উৎসবের ঘ্রাণ ভেসে আসে, তখনই পর্দায় হাজির হয় একের পর এক নতুন গল্প। কখনও রোমাঞ্চ, কখনও রহস্য, আর কখনও খাঁটি মজা। এবারে হইচই নিয়ে আসছে এমনই এক অন্যরকম স্বাদ—হরর কমেডির মোড়কে নতুন সিরিজ ‘ভূততেরিকি’।
#rel
ভাবুন তো, একই ছাদের নীচে মানুষ আর ভূত একসঙ্গে বাস করছে! শুনলেই মনে হয়, হয়তো এ গল্প ভয় ধরাবে শরীরে। কিন্তু এই সিরিজ আপনাকে শুধু ভয় নয়, হাসির ফুলঝুড়ি দেবে। কারণ এখানে ভূত মানেই শুধুমাত্র ভয়ঙ্কর ছায়া নয়, বরং একেকটা সময়ের অদ্ভুত রঙ। কেউ এসেছে পলাশীর যুদ্ধের দিন থেকে, কেউ বিদ্যাসাগরের যুগের পথ পেরিয়ে, কেউ আবার থেমে আছে সত্তরের দশকের অস্থির সময়ে। আর এই ভূতের দলকে নিয়েই শুরু হবে মজার ট্রেনিং—কীভাবে ‘সঠিক ভূত’ হওয়া যায়!
এই অভিনব গল্পকে প্রাণ দিয়েছেন নবাগত পরিচালক কৌশিক হাফিজি। আর তাঁর সৃজনশীল দিশারি হয়ে রয়েছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য। যাঁর হাতে সৃজনশীল কাজ মানেই গল্পের ভেতরে অন্য মাত্রা যোগ হওয়া। এর আগে ‘তালমার রোমিও জুলিয়েট’-এ তিনি তা প্রমাণ করেছেন। আশা করা যায়, এবার ‘ভূততেরিকি’-তেও তিনি দর্শকদের জন্য নতুন এক অভিজ্ঞতা তৈরি করতে চলেছেন।
সিরিজে মুখ্য ভূমিকায় থাকছেন আভেরি সিংহ রায়, ঐশ্বর্য সেন, দীপান্বিতা সরকার, দেবরাজ ভট্টাচার্য, সৌণক কুন্ডু প্রমুখ।
তাঁদের উপস্থিতি গল্পকে শুধু নাটকীয় করে তুলবে না, বরং একেকটা চরিত্রকে করে তুলবে অদ্ভূতুড়ে। ধান্যকুরিয়ার প্রাচীন বাংলোয় শুরু হওয়া এই শুটিং যেন সত্যিই এক ভূতের আসর বেঁধে দিয়েছিল। আর সেই আসর এবার পৌঁছবে দর্শকের ঘরে।
‘ভূততেরিকি’র পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই আগ্রহ তুঙ্গে। হইচইয়ের তরফ থেকে লেখা হয়েছে—“ভূত ও মানুষের সহবাস, তাও আবার একই ছাদের তলায়? আসছে ধুত্তেরিকি। না না, আসছে ভূততেরিকি।”
১২ সেপ্টেম্বর থেকে হইচইতে দেখা যাবে এই সিরিজ। একসঙ্গে হাসি, ভয় আর আবেগের মিশ্রণ নিয়ে আসছে ভূততেরিকি। মানুষ আর ভূতের ফারাক মুছে দিয়ে এই গল্প শেষমেশ মনে করিয়ে দেবে—ভালোবাসা, দুঃখ, আনন্দ কিংবা হাসাহাসি, সবকিছুই ভাগ করে নেওয়ার নামই তো জীবন। আর সেই জীবনকে উদ্যাপন করতে কখনও কখনও ভূতও বন্ধু হয়ে ওঠে।
এক ছাদের নীচে, মানুষ আর ভূতের এই মিলনই যেন এক অন্য রকম রূপকথা। এবারের শরৎ তাই শুধু উৎসবেই নয়, জমে উঠবে ভূতের হাসিতেও—‘ভূততেরিকি’তে।