বিজয়ের অস্থাবর সম্পত্তির মোট পরিমাণ ৪০৪.৫৮ কোটি। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তাঁর আয় হয়েছে ১৮৪ কোটি টাকা। নগদে তাঁর হাতে আছে মাত্র ২ লক্ষ, কিন্তু ব্যাঙ্ক অ্যাকউন্ট হিসেবে রয়েছে প্রায় ৩২০ কোটি টাকা।

অভিনেতা-টিভিকে প্রধান বিজয় (ফাইল ছবি)
শেষ আপডেট: 31 March 2026 16:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তামিল সিনেমার সুপারস্টার থেকে এবার রাজনীতির দৌড়ে- থালাপতি বিজয় (Thalapathy VIjay) এখন আলোচনার কেন্দ্রে। আগামী ২৩ এপ্রিল তামিলনাড়ুর ২৩৪টি আসনে ভোট (Tamilnadu Assembly Election 2026)। ইতিমধ্যেই মনোনয়ন দাখিল করেছেন বিজয়। প্রার্থী হিসেবে নিজের হলফনামায় জানিয়েছেন তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ এবং পরিবারের আর্থিক অবস্থা। এই হলফনামা প্রকাশ্যে আসতেই স্পষ্ট হয়েছে, ২০২৬ সালে বিজয় দেশের অন্যতম ধনী অভিনেতা-রাজনীতিকদের একজন।
বিজয়ের অস্থাবর সম্পত্তির মোট পরিমাণ ৪০৪.৫৮ কোটি। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তাঁর আয় হয়েছে ১৮৪ কোটি টাকা। নগদে তাঁর হাতে আছে মাত্র ২ লক্ষ, কিন্তু ব্যাঙ্ক অ্যাকউন্ট হিসেবে রয়েছে প্রায় ৩২০ কোটি টাকা। তাঁর দুই সন্তান, জেসন সঞ্জয় ও দিব্যা সাশার অ্যাকাউন্টে মিলে রয়েছে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা। অন্যদিকে, স্ত্রী সঙ্গীতা সোরনালিঙ্গমের ব্যাঙ্কে রয়েছে ১০.৪৩ কোটি টাকা।
স্ত্রীর জন্য বিজয়ের বিনিয়োগও উল্লেখযোগ্য। হলফনামা অনুযায়ী, সঙ্গীতার নামে-
গাড়ির তালিকাতেও ঝলক রয়েছে তারকা-জৌলুসের। বিজয় জানিয়েছেন, তাঁর কাছে রয়েছে,
সব মিলিয়ে গাড়ির সম্পদের মূল্য ৭.৪৫ কোটি টাকা।
এছাড়া বিজয় অন্যদেরও প্রায় ৭৬ কোটি টাকা ঋণ হিসেবে দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন—
স্থাবর সম্পত্তির দিক থেকেও বিজয় বেশ সমৃদ্ধ। তাঁর নামে রয়েছে ১০টি বাড়ি- নীলঙ্করাই, উরুর, মইলাপুর, পল্লিপাট্টু, পদুর, কোরাট্টুর, সলিগ্রাম ও শোলিঙ্গানাল্লুর এলাকায়। সঙ্গীতার নামে রয়েছে সোনা, রুপো ও হিরের গয়না, যার বাজারমূল্য প্রায় ১৫.৫১ কোটি।
এদিকে রাজনীতির ব্যস্ততার মধ্যেই বিজয় অপেক্ষা করছেন তাঁর শেষ ছবি ‘জন নয়গন’ (Jana Nayagana) মুক্তির। সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র না পাওয়ায় ৯ জানুয়ারির মুক্তি পিছিয়েছে। নতুন তারিখ এখনও ঘোষণা হয়নি। সব মিলিয়ে, ভোটের আগে বিজয়ের সম্পদ-বিবরণ রাজনীতির ময়দানেও ঝড় তুলেছে।
উল্লেখ্য, আসন্ন নির্বাচনে বিজয় (Vijay) লড়বেন পেরাম্বুর (Perambur) ও ত্রিচি ইস্ট (Trichy East) কেন্দ্র থেকে। নিজের দল তামিলাগা ভেট্রি কাঝাগমের (Tamilaga Vettri Kazhagam) প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে ভোটারদের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা, “একবার সুযোগ দিন, হুইসেলেই (whistle symbol) আসবে বিপ্লব। হবে বিরাট পরিবর্তন।”