
শেষ আপডেট: 26 March 2023 15:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সমাজটা নাকি আগের চেয়ে অনেক পালটে গেছে এমন কথা প্রায়ই শোনা যায় সকলের মুখে। রূপান্তরকামীদের পরিস্থিতিও ধীরে ধীরে পাল্টাচ্ছে, এমন দাবিও ওঠে আজকাল বিভিন্ন মহল থেকেই। তবু আজও গান গাইতে মঞ্চে উঠলে অন্বেষাদের (Anwesha Mondal) জোটে অপমান। নিজেকে প্রমাণ করতে মুখ দেখাতে হয় জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো-এর (reality show) মঞ্চে।
অন্বেষা বলতে এতক্ষণে স্টার জলসার সুপার সিঙ্গার সিজন ৪ এর দর্শকরা বুঝেই গেছেন যে এই সিজনের প্রতিযোগী অন্বেষা মণ্ডলের কথাই বলা হচ্ছে। তবে আর পাঁচজনের মতো নামের আগে শুধু গায়িকা তকমা বসে না অন্বেষার। রূপান্তরকামী (trans woman) গায়িকা হিসেবেই তাঁকে চেনাতে হয় নিজেকে।
অথচ, লিঙ্গ নির্বিশেষে শুধু প্রতিভার ভিত্তিতেই পরিচিতি পাওয়ার কথা ছিল তাঁর। সুপার সিঙ্গারের মঞ্চে তাঁর গাওয়া লোকগীতি 'আমার হাত বান্ধিবি পা বান্ধিবি' শুনে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি রূপম ইসলাম থেকে শুরু করে মোনালি ঠাকুরের মতো বিচারকরা। নিন্দুকেরা বলবেন, সবটাই দর্শককে আকর্ষণের জন্য চমক।
বাস্তব বলছে এই চমকটুকু না থাকলে, পুরুলিয়ার অখ্যাত গ্রামের মঞ্চ থেকে শুধুমাত্র পুরুষ নারীর পরিচিত বাইনারিতে হার মেনে মঞ্চ থেকে নেমে আসতে হত অন্বেষাকে। সুর হেরে যেত লিঙ্গ পরিচিতির কাছে।
এখানেই নিজের সবচেয়ে বড় জয় অন্বেষার। প্রতি সপ্তাহে শনি রবি তাঁর গান শোনার জন্য মুখিয়ে থাকেন দর্শক। গলা ছেড়ে গেয়ে ওঠার সময়ে পিছনে পড়ে থাকে যাবতীয় টিকাটিপ্পনি, সমাজের বেঁধে দেওয়া ছেলে মেয়ের পরিচয়, আরও হাজারো কাঁটা। জেগে থাকে শুধু আবহ, মাইক্রোফোন, আলো আর অন্বেষার গলার সুর।
স্মৃতি ইরানির প্রথম রোজগার বাসন মেজে! কোথায়, কেমন দিন কাটিয়েছিলেন তিনি, জানালেন নিজেই