
শেষ আপডেট: 13 March 2023 13:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডাক্তারবাবু পুলিশ হচ্ছেন। তাও আবার কনস্টেবল বা ওসি নন। একেবারে রাজ্য পুলিশের ডিজি (DG Of West Bengal Police)। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ (TMC MP) শান্তনু সেনকে (Shantanu Sen) এই ভূমিকাতেই দেখা যেতে চলেছে সিনেমার পর্দায়। হ্যাঁ, ডাক্তার শান্তনু সেন সিনেমা করছেন। পর্দায় তাঁর হাতে স্টেথো থাকবে না। খাকি উর্দি পরা পুলিশ কর্তা হবেন তিনি। কোমরে থাকবে রিভালবর।
সিনেমার নাম ‘সুকন্যা।’ কেপি মুভিজ পরিচালিত এই ছবির পরিচালক উজ্জ্বল মিত্র। সেই ছবিতে পুলিশের ডিজির ভূমিকায় অভিনয় করছেন শান্তনু। তাঁর চরিত্রের নাম প্রলয় রুদ্র।
ঘটনা হল, এই ছবিটির বিষয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প ‘কন্যাশ্রী।’ এই ছবিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর চরিত্রের নাম মায়া চট্টোপাধ্যায়।
দ্য ওয়াল-এর সঙ্গে সিনেমা সংক্রান্ত কথাবার্তায় শান্তনু জানালেন, ‘আমার কাছে যখন মাস ছয়েক আগে প্রস্তাব এসেছিল তখন রাজি হয়েছিলাম একটাই কারণে। কারণ, ছবিটির বিষয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কন্যাশ্রী প্রকল্প।’
শান্তনু ডিজি হিসাবে কী করবেন?
সাংসদ তথা অভিনেতা জানালেন, ‘ছবিতে দেখা যাবে আমি বাম জমানাতেও ডিজি ছিলাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের আসার পরেও আমায় সেই দায়িত্বে রাখা হয়। আমার উপরেই ভার দেওয়া হয় তা বাস্তবায়নের।’
গল্পটা কী?
‘সুকন্যা’র প্রলয় রুদ্র শান্তনু বলেন, ‘ছবিতে দেখা যাবে, সিঙ্গুর আন্দোলনের সময়ে এক ভদ্রলোক নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। তারপর কন্যাশ্রী পেয়ে তাঁর মেয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং একজন আইপিএস অফিসার হিসাবে সেই ব্লকেই দায়িত্ব নেন।’
শান্তনু জানান, জোকার একটি স্টুডিও এবং দিঘায় কিছুটা শ্যুটিং হয়েছে। আরও কিছুটা বাকি আছে। সাংসদকে প্রশ্ন করা হয়, আপনাকে কি কোনও অ্যাকশন দৃশ্যে দেখা যাবে? সোমবার শান্তনুবাবু বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত যা শ্যুটিং হয়েছে তাতে কনও অ্যাকশন দৃশ্য নেই। জানি না এর পরে কী আছে?’

তৃণমূলের এই রাজ্যসভার সাংসদটির চেহারা বেশ লম্বাচওড়া। সেই কারণেই কি শান্তনুকে বেছে নিয়েছিলেন পরিচালক? প্রশ্ন শুনে হেসে ফেলেন সিনেমার ডিজি। বলেন, ‘সেটা ওঁরাই ভাল বলতে পারবে। তবে সেটা হলেও হতে পারে।’
স্কুল ও কলেজ জীবনে অনেক নাটক করেছেন শান্তনু সেন। কিন্তু সিনেমা এই প্রথম। তাও আবার দিদির প্রশাসনের ডিজি।
‘দু’মিনিটে গাছে চড়া শিখেছি, পুকুরে চিংড়ি ধরেছি!’ পারিজাতই যেন বইয়ের পাতার সেই ইন্দুবালা