এটা প্রথমবার নয়। কিংশুক দের ক্ষেত্রেও ঘটেছিল শুটিংয়ে ‘অসহযোগিতা’। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার পড়লেন ‘অসহযোগিতা’র কোপে। আজ অর্থাৎ ৯ জুন বাঘাযতীনে কিংশুক দের নতুন ছবির শুটিং শুরুর কথা ছিল।

কিংশুক দে।
শেষ আপডেট: 9 June 2025 13:19
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এটা প্রথমবার নয়। কিংশুক দের ক্ষেত্রেও ঘটেছিল শুটিংয়ে ‘অসহযোগিতা’। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার পড়লেন ‘অসহযোগিতা’র কোপে। আজ অর্থাৎ ৯ জুন বাঘাযতীনে কিংশুক দের নতুন ছবির শুটিং শুরুর কথা ছিল। কিন্তু পরিচালকের অভিযোগ গত রাত অর্থাৎ ৮ তারিখ থেকে একাধিকবার ফোন করার পরেও কোনও সিনে টেকনিশিনায়নই ফোন তোলেননি। টেকনিশিয়ানদের ‘অসহযোগিতা’ এই প্রথমবার নয়। পরিচালক সুদেষ্ণা রায় থেকে অনির্বাণ ভট্টাচার্যর ক্ষেত্রে ঠিক এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ফেডারেশন-পরিচালক দ্বৈরথ আজকের নয়। একাধিকবার একাধিক অভিযোগ উঠেছে ফেডারেশনের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি এমন যে কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ হয়েছিলেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, পরিচালক কিংশুক দে সহ মোট ১৫জন পরিচালক।
বারবার ‘অভিযোগ’ যে সকল পরিচালক করেছেন, কোনও না কোনও ভাবে তাঁদের কাজের প্রতি ‘অসহযোগিতা’ দেখিয়েছেন টেকনিশিনায়নরা। প্রসঙ্গত ২ মে-এর ‘দ্য ওয়াল’-এর এক্সক্লুসিভ খবরে উঠে এসেছিল ‘পরম, অনির্বাণ, সুদেষ্ণারা করতে পারবেন না ছবি? টেকনিশিয়ানদের ‘আজীবন অসহযোগিতা’ সিদ্ধান্ত!’ এবং এরপর থেকে ‘অসহযোগিতা’র কোপে পড়েছেন একাধিক পরিচালক।
শোনা গিয়েছিল, ফেডারেশনের ‘কঠোর সিদ্ধান্ত’র কথা। যাঁরা ফেডারশনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করেছেন তাঁদের বিরুদ্ধে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরি, বিদুলা ভট্টাচার্য, সুদেষ্ণা রায়দের মতো পরিচালকরা।
‘কঠোর সিদ্ধান্ত’ ঠিক কী প্রশ্ন করা হলে সূত্র জানায় ‘সদস্যদের বড় স্ক্রিনে ওই ভিডিওটি দেখানো হয়েছে, এবং হাইকোর্টের মামলায় কার কী বক্তব্য ছিল, তাও দেখানো হয়। এই মামলার বাইরেও যাঁরা, তাঁদের সমর্থন করছেন, তাঁদের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এবং তা বেশ উত্তপ্ত পর্যায়ে পৌঁছয়। আলোচনায় একটাই কথা বারবার উঠে এসেছে তাঁদের প্রতি ‘আজীবন অসহযোগিতা!’
প্রশ্ন উঠছে, ‘Non cooperation’ কালচার টলিপাড়ায় নতুন নয়। প্রযোজক রাহুল মুখোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে এমনটাই ঘটেছিল। পরে অবশ্য পরিচালকের সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ক্ষমা’ চাওয়ার পর, তা মিটমাট হয়ে যায়। তারপর সৃজিত রায়ের শুটিংয়েও হয় অসহযোগিতা। সেক্ষেত্রেও আসে সেই ‘ক্ষমা চাওয়া’ এবং তারপর সব মিটে যায়। কিন্তু এই ‘আজীবন অসহযোগিতা’র সিদ্ধান্ত যদি কার্যকরী হয়, তা হলে এই প্রথম টলিপাড়ার একাধিক পরিচালকরা একসঙ্গে কলাকুশলীদের ‘Non cooperation’-এর মুখে পড়তে চলেছেন!
পরিচালক কিংশুক দে-র শুটিং বন্ধের বিষয় নিয়ে ফেডারেশন সূত্রের খবর, ‘গোটা বিষয় বিচারাধীন, তাই এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে পারব না!’