
শেষ আপডেট: 1 February 2024 16:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আটের দশকে অমিতাভ ছিলেন বলিউডের একচ্ছত্র সম্রাট। ১৯৬৯ সালে ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখার পর থেকেই একের পর এক ছবি ইতিহাস গড়তে শুরু করে। সেই সময় ওঁর বিপরীতে কাজ করার জন্য মুখিয়ে থাকতেন অভিনেত্রীরা। কিন্তু সবাই যে সেই দলে ছিলেন না, তা প্রমাণ করে দেন শ্রীদেবী।
'খুদা গাওয়া' ছবির জন্য অমিতাভ বচ্চনের বিপরীতে বেছে নেওয়া হয় শ্রীদেবীকে। কিন্তু তিনি না বলে দেন। নারীকেন্দ্রিক ছবি ছাড়া অন্য কোনও ছবিতে অভিনয় করতে নারাজ ছিলেন তিনি। এ কথা শোনার পর মাথায় হাত পড়ে প্রযোজকদের। তাঁকে রাজি করার জন্য বলিউডের বাদশাহ বেছে নেন নিজস্ব উপায়।

নৃত্য পরিচালক সরোজ খানের নির্দেশে সেদিন 'জুম্মা চুম্মা দে দে' গানটির শুটিং চলছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন শ্রীদেবীও। হঠাৎ অমিতাভ বচ্চন এসে শ্রীদেবীকে বলেন একটা জায়গায় দাঁড়াতে। সবাই অবাক হয়ে যান! নির্দিষ্ট জায়গায় দাঁড়ানো মাত্র শ্রীদেবীর মাথায় ঝরে পড়ে এক ঝাঁক ফুল। দেখা যায় অমিতাভ এক ট্রাক ভর্তি ফুল এনেছিলেন কেবল মাত্র অভিনেত্রীর জন্যই। তিনি চেয়েছিলেন শ্রীদেবী যেন অমিতাভ অভিনীত 'খুদা গাওয়া'-তে অভিনয় করতে রাজি হন।

'শ্রীদেবি: দ্য ইটারনাল স্ক্রিন গডেস' বইতে সরোজ খান এই ঘটনাটি লিখেছেন। এরকম একটা কাণ্ড ঘটানোর পর না বলবে তেমন সাধ্য কার? শ্রীদেবী ছবিতে অভিনয়ের জন্য আর না করেননি ঠিকই, তবে কিছু শর্তের কথা জানিয়েছিলেন। বলেন, ছবিতে অমিতাভের বউ ও মেয়ে দুই চরিত্রেই উনি অভিনয় করতে চান। ছবির নির্মাতা মনোজ দেশাই ও মুকুল আনন্দ তাতেই রাজি হন। ছবিটি তৈরি হয়। আজও 'খুদা গাওয়া' দুজনের অভিনয় জীবনেরই অন্যতম হিট!
/mayapuri/media/post_attachments/b70d0b67b0adf4107570169084284489656a46a0fe7bf8a6d5f4f41eac3df767.jpg)
তবে 'খুদা গাওয়া'-র আগে রমেশ সিপ্পির পরিচালনায় 'রাম কি সীতা শ্যাম কি গীতা' ছবিতে অভিনয় করার কথা ছিল অমিতাভ বচ্চন ও শ্রীদেবীর। কিন্তু শেষ অবধি এই ছবি আর তৈরি হয়নি। এই ছবিতেই 'জুম্মা চুম্মা' গানটি রাখার কথা ছিল। কিন্তু সিনেমাটি শেষ অবধি না হওয়ায় গানটি 'হাম' ছবিতে ব্যবহার করা হয়।