ফেস্টিভ্যালের দায়িত্বে থাকা ‘ফিল্ম হেরিটেজ ফাউন্ডেশন’ অনুষ্ঠানের একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করেছে। যা দেখে সাফ বোঝা যাচ্ছে, ‘হাউসফুলে’র দাবি একচুল মিথ্যে নয়।
.jpeg.webp)
শোলে
শেষ আপডেট: 1 July 2025 15:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সময় বদলেছে। দেশও। কিন্তু উন্মাদনা এখনও সেই এক।
১৯৭৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্লকব্লাস্টার ছায়াছবি ‘শোলে’র আনকাট ভার্সান সম্প্রতি প্রদর্শিত হয় ইতালির বোলোগনার একটি চলচ্চিত্র উৎসবে। যা দেখতে উপচে পড়ে সিনেমাপ্রেমীদের ভিড়। দর্শকদের কেউই হিন্দিভাষী কিংবা ভারতীয় নন। প্রায় সবাই ইতালির নাগরিক। তবুও শো হাউজফুল।
মুক্তমঞ্চে প্রদর্শিত সিনেমার অ্যাকশনে বুঁদ অনুরাগীদের অনেকেই খোলা আকাশের নীচে সিঁড়িতে, কেউ কেউ মেঝেতে বসে পড়েন। তারপর গব্বরের হুঙ্কারে স্পিকটি নট, বীরুর রসিকতায় হেসে কুটিপাটি যান আট থেকে আশি। ভাষা না বুঝলেও অনুভূতি তো আগল মানে না! আর ডি বর্মনের সুরের দোলায় সকলকে পা নাচাতে দেখা যায়।
ফেস্টিভ্যালের দায়িত্বে থাকা ‘ফিল্ম হেরিটেজ ফাউন্ডেশন’ অনুষ্ঠানের একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করেছে। যা দেখে সাফ বোঝা যাচ্ছে, ‘হাউসফুলে’র দাবি একচুল মিথ্যে নয়। পিয়াজ়া মাজ্জোরের ওপেন এয়ার থিয়েটারে অসংখ্য অনুরাগী হাজির হন। ভরপুর অ্যাকশন, মারকাটারি ডায়লগ, টানটান অভিনয় আর মশলাদার স্ক্রিপ্ট—‘শোলে’ যে স্রেফ হিট ছবি নয়, ‘কালজয়ী’ও বটে, তা প্রমাণ করে দিয়েছে বোলোগনার কার্নিভাল।
ফিল্ম হেরিটেজ ফাউন্ডেশন তাদের ইনস্টাগ্রামে প্রদর্শনীর ছবি শেয়ার করে লেখে, ‘পিয়াজ়া মাজ্জোরের এক অপূর্ব সন্ধ্যা। এখানকার বড় স্ক্রিনে প্রথমবারের মতো দেখানো হল রমেশ সিপ্পি পরিচালিত শোলে ছবির পুনরুদ্ধারকৃত সংস্করণ (রিস্টোর্ড ভার্সন)। ভারতের এই আইকনিক চলচ্চিত্র যখন পঞ্চাশ বছর পর নতুন রূপে ফিরে এল, তখন দর্শকদের মুখে ছিল উচ্ছ্বাস—চেয়ারে, সিঁড়িতে এমনকি মাটিতে বসেও মানুষ মুগ্ধ হয়ে ছবিটি দেখেছেন।’
কীভাবে ‘শোলে’র আনকাট সংস্করণ সামনে এল? এই নিয়ে সংস্থার বক্তব্য, ‘ছায়াছবি পুনরুদ্ধারে ব্যবহার করা হয়েছে ইংল্যান্ডের গুদামে খুঁজে পাওয়া একটি ইন্টারপজিটিভ ও দুটি রঙিন রিভার্সাল ইন্টারমিডিয়েট এবং ১৯৭৮ সালের একটি দ্বিতীয় ইন্টারপজিটিভ। এই সমস্তকিছু সংরক্ষণ করেছে ফিল্ম হেরিটেজ ফাউন্ডেশন।’