.jpg)
শেষ আপডেট: 13 April 2025 18:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তাঁকে 'বনবাস'-এ পাঠানোর ধৃষ্টতা কারও নেই। বরং নিজেই চেয়েছিলেন এই বিরতি। কথা হচ্ছে শর্মিলা ঠাকুরের। প্রায় ১৪ বছর বাংলা ছবিতে ফিরেছেন তিনি। সুমন ঘোষের 'পুরাতন' ছবির মধ্যে দিয়েই কামব্যাক হয়েছে তাঁর। ছবিটি মুক্তি পেয়েছে এই শুক্রবার। প্রেক্ষাগৃহেও চলছে রমরমিয়ে। তবে জানেন কি, এই ছবিই হয়তো অভিনেত্রীর শেষ বাংলা ছবি।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "বাংলা ছবি করতে আমি ভালবাসি। কলকাতার সব কিছুই আমার বড় পছন্দের। কিন্তু অভিনয় করার জন্য যে পরিমাণ ফিটনেস দরকার, ততটা ফিট আমি নই।"
গঙ্গার ধারে মাত্র ১৪-১৫ দিনের মধ্যেই সুমন ঘোষের এই ছবির শুটিং শেষ করেছিলেন অভিনেত্রী। বহুদিন পর বাংলা ছবিতে অভিনয় করে উচ্ছ্বসিত তিনিও। একটা গোটা ছবিতে বাংলায় কথা বলেছেন তিনি-- বাঙালি হিসেবে এই তাঁর কাছে প্রাপ্তি।
ক্যানসারকে জয় করেছেন তিনি। মেয়ে সোহা জানিয়েছেন জিরো স্টেজে ক্যানসার ধরা পড়ে তাঁর। ফুসফুসে ক্যানসার হয়েছিল তাঁর। অস্ত্রোপচার হয়। তবে আগেভাগে ধরা পড়ায় কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি কিছুই নিতে হয়নি তাঁকে।
ছবির প্রচারে সম্প্রতি কলকাতায় আসেন শর্মিলা।‘শর্মিলা’ (Sharmila tagore) শুধু একটি নাম নন—তিনি এক সময়ের অনুপম কবিতার মতো। চোখের আলোয়, অভিব্যক্তিতে তা সুস্পষ্ট। ষাট-সত্তরের রুপোলি পর্দায় তিনি ছিলেন সেই আধুনিকতা, যেখানে শাস্ত্রীয় সৌন্দর্য আর পাশ্চাত্য বৈভবের ঘটেছিল মেলবন্ধন।
আজও শর্মিলা অনন্ত সৌন্দর্যের এক পরিভাষা, নীরব অথচ তাঁর অভিনয় গভীর। নায়িকা নন, সময়ের এক স্নিগ্ধ সাক্ষী। যাঁর অস্তিত্ব ছুঁয়ে আছে এক পরিমিতি বোধ, এক মুগ্ধতা, যা বাংলার সংস্কৃতিকে আজও সমৃদ্ধ করে চলেছে। সেদিনের পোডিয়ামের সেই আলো, সেই উজ্জ্বলতা যেন ছিল চিরকালের।