Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশু

শর্মিলা হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন রাজেশের সঙ্গে ছবি কমে যাওয়ায়! এত হিট রসায়নের আড়ালে কোন অন্ধকার?

শুধু শর্মিলা নন, আরও অনেক মানুষ রাজেশ খান্নার সঙ্গে এই একটাই কারণে কাজ করতে চাইতেন না।

শর্মিলা হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন রাজেশের সঙ্গে ছবি কমে যাওয়ায়! এত হিট রসায়নের আড়ালে কোন অন্ধকার?

শর্মিলা ঠাকুর ও রাজেশ খান্না

শেষ আপডেট: 8 April 2025 15:12

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শর্মিলা ঠাকুর(Sharmila Tagore) ও রাজেশ খান্নার (Rajesh Khanna) জুটি বলিউড (Bollywood) ইতিহাসে আইকনিক। ‘আরাধনা’, ‘দাগ’, ‘অমর প্রেম’—ইত্যাদি একাধিক ছবি করে দর্শক মনে জায়গা করে নিয়েছিল এই জুটি।  তাঁদের নামে হাউসফুল বোর্ড ঝুলত সিনেমা হলে। তাঁদের রসায়ন ছিল পর্দায় সুপারহিট। কিন্তু একসময় এই শর্মিলা ঠাকুরই রাজেশ খান্নার সঙ্গে কাজ করতে চাননি। বলা ভাল, কাজ না করে হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছিলেন শর্মিলা। কেন দু’জনের সম্পর্কে এমন ধুলো পড়েছিল? 

রাজেশ খান্না মারা যাওয়ার পর শর্মিলা সামনে আনেন কারণ। শর্মিলা ঠাকুর জানিয়েছিলেন, তিনি ভীষণ ভাবে সময় মেনে চলতেন। সঠিক সময়ে সেটে আসা পছন্দ করতেন। তাই কাজের সময়েও তিনি দিনের পর দিন সেটে এসে রেডি হয়ে বসে থাকতেন। কিন্তু শট দিতে পারতেন না, কেবল রাজেশ খান্না দেরি করে আসার কারণে। 

শর্মিলা বলেছিলেন, ‘কাকা (রাজেশ খান্নার ডাকনাম) কখনও অন্যের সময়ের দাম দিত না। ও নিজে যা চাইবে, সেই মতো অন্যদের চলতে হবে। কলটাইম সকাল ৯টায় থাকলে কাকা এসে পৌঁছত দুপুর ১২টার পর। ফলে আমরা ঠিক সময়ে শ্যুটিং শেষ করতে পারতাম না। মধ্যরাত হয়ে যেত কাজ শেষ করতে।’

শর্মিলা আরও বলেন, ‘পরিবারকে সময় দেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমার ছেলেমেয়েরা আমার কাছে সবার আগে। কিন্তু কাকার জন্য আমার ব্যক্তিগত জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হছিল। শুধু তাই নয়, সমগ্র ইউনিট আমাকে চাপ দিত ওভারটাইম করতে। এটা এক সময় নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এতে আমি পড়তাম মুশকিলে। এই কারণেই আমার বর পতৌদি মনঃক্ষুণ্ণ হত।’


পাশাপাশি শর্মিলা আরও যোগ করেন, ‘একটা সময় পর রাজেশ খান্নার সঙ্গে আমি আর ছবি করিনি। তখন আমি যেন হাঁফ ছেঁড়ে বেঁচেছিলাম। অন্য আর কোনও নায়কের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে এই হয়রানি আমার হয়নি।’

শুধু শর্মিলা নন, আরও অনেক মানুষ রাজেশ খান্নার সঙ্গে এই একটাই কারণে কাজ করতে চাইতেন না। যেমন যশ চোপড়া রাজেশ খান্নার পরিবর্তে অমিতাভ বচ্চনকে নিতে থাকেন তাঁর পরবর্তী ছবিগুলিতে। ক্রমশ বাদ পড়তে থাকেন রাজেশ খান্না। 

আসল ব্যাপার হল, রাজেশ খান্না সাতের দশকে ছিলেন নাম্বার ওয়ান হিরো। তিনি দেরি করে এসে নিজের স্টারডম দেখাতেন। তিনি ছাড়া ওই মাপের স্টার আর কেউ ছিলেন না তখন বম্বেতে। আর এই বেলাগাম উচ্ছৃঙ্খলতাই রাজেশ খান্নার জমানা শেষ করে দেয়। তাঁর জায়গা নিয়ে নেন অমিতাভ বচ্চন।


```