১৯৯৮ সালে মুক্তি পেয়েছিল হরনাথ চক্রবর্তী পরিচালিত ‘রাজা রানি বাদশা’। ছবির নায়িকা ছিলেন শতাব্দী। বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুরে ছবির শুটিং চলাকালীন যে অভিজ্ঞতা হয়েছিল তাঁর, তা আজও ভোলেননি তিনি।
.png.webp)
শেষ আপডেট: 29 August 2025 17:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হালফিলে টলিপাড়ায় শুটিং মানেই আরামদায়ক ব্যবস্থা। আধুনিক ভ্যানিটি ভ্যান, এসির ব্যবস্থা, — সবই যেন হাতের মুঠোয়। কিন্তু ৯ এর দশকের শেষভাগে চিত্রটা ছিল একেবারেই আলাদা। ছিল না ভ্যানিটি ভ্যান, ছিল না শীততাপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাও। তবুও তীব্র গরম, ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করেই ক্যামেরা চলত। অসুবিধেও কিছু কম ছিল না। নস্টালজিয়ায় ডুব দিয়ে এবার সে রকমই এক ঘটনার কথা তুলে ধরলেন অভিনেত্রী-সাংসদ শতাব্দী রায়।
১৯৯৮ সালে মুক্তি পেয়েছিল হরনাথ চক্রবর্তী পরিচালিত ‘রাজা রানি বাদশা’। ছবির নায়িকা ছিলেন শতাব্দী। বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুরে ছবির শুটিং চলাকালীন যে অভিজ্ঞতা হয়েছিল তাঁর, তা আজও ভোলেননি তিনি। অভিনেত্রীর কথায়, “এত গরম ছিল যে ছবিতে থাকা কুকুরও মাটিতে দাঁড়াতে পারছিল না। আমি হরদাকে বললাম, যেখানে একটা কুকুর দাঁড়াতে পারছে না, সেখানে তুমি আমাকে দিয়ে নাচ করাচ্ছ, অভিনয় করাচ্ছ।”

এরপর পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী ও প্রযোজক মিলে বের করেছিলেন অভিনব সমাধান। বাইরে থেকে চাঁই চাঁই বরফ আনা হত। শুটিং শেষে সেই বরফ গলে যে জল হতো, তাতেই স্নান করে ক্লান্তি দূর করতেন শতাব্দী। ব্যস এইটুকুই। তাতেই সন্তুষ্ট হতেন অভিনেত্রী নিজে। তাই নিয়ে কিন্তু অভিযোগ নেই শতাব্দীর। দীর্ঘ কর্মজীবনে যে পরিমাণ ভালবাসা তিনি পেয়েছে দর্শকের তরফে পেয়েছেন, তাতেই তিনি খুশি, তাতেই তিনি সন্তুষ্ট।
হঠাৎ করেই ফেলে আসা সোনালী দিনের স্মৃতিচারণায় মেতেছেন শতাব্দী। দিন কয়েক আগেই জানিয়েছিলেন অমিত কুমারকে পছন্দ ছিল তাঁর। যদিও সেই ভাললাগার কথা কাউকে বলতে পারেননি কোনওদিন। জানতেন না অমিত কুমার নিজেও।